October 28, 2026

​নীলফামারী প্রতিনিধি:

শিশুশ্রম হ্রাস, বাল্যবিয়ে রোধ এবং ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করার লক্ষ্যে নীলফামারীতে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অলাভজনক সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট’ (এএফডি)-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
​ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বাইসাইকেল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
​রঙিন বেলুন উড়িয়ে র্যালির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নীলফামারী সার্কেল) ফারুক আহমেদ। এছাড়াও নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এএফডির নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, “নীলফামারী জেলা বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রমের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যে বয়সে শিশুদের হাতে বই-খাতা থাকার কথা, সে বয়সে তারা শ্রমে জড়িয়ে পড়ছে এবং বাল্যবিয়ে হয়ে যাচ্ছে। এই বাইসাইকেল র্যালির মাধ্যমে আমরা সমাজকে বার্তা দিতে চাই—যেন কোনো শিশু শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে না পড়ে এবং বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রমের শিকার না হয়।”
​প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “এটি অত্যন্ত চমৎকার ও সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। বাইসাইকেল র্যালির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। আমরাও চাই জেলাটি বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম মুক্ত হোক।”
​এএফডির প্রকল্প সমন্বয়কারী কাজল রায় জানান, সেভ দ্য চিলড্রেন ও নেদারল্যান্ডস সরকারের আর্থিক সহায়তায় নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলায় নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, বাল্যবিয়ে রোধ এবং শিশুশ্রম হ্রাসে কাজ করা হচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনে ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫০ জন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধি অংশ নেন।

রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের সাদুল্ল্যাপুর এলাকায় প্রশাসনের নাকের ডগায় বসছে প্রকাশ্য জুয়ার আসর। স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলা এই জুয়ার স্বর্গরাজ্যের কারণে এলাকায় মাদক, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ভয়াবহ অপরাধের গ্রাফ আশঙ্কাজনকহারে ঊর্ধ্বমুখী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রহস্যজনক নীরবতায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্পটে দৈনিক লাখ লাখ টাকার জুয়ার বোর্ড বসছে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সমানতালে চলছে এই অবৈধ কারবার। দূর-দূরান্ত থেকে জুয়াড়িরা এসে ভিড় জমাচ্ছে এই এলাকায়। জুয়াকে কেন্দ্র করে এলাকাটি এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সবাই জানে কোথায় জুয়া হচ্ছে। পুলিশও প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু অলৌকিক কারণে তারা নীরব। মনে হয় যেন প্রশাসনের ‘সবুজ সংকেত’ নিয়েই এই অপরাধের মহোৎসব চলছে। জুয়াড়ি ও মাদক কারবারিদের ভয়ে সাধারণ মানুষ এখন মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছেন না।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রামটির নির্জন এলাকা ও নির্দিষ্ট কিছু স্থানে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ জুয়াড়ি চক্র। দিন-রাত সমানতালে চলা এসব আসরে দূর-দূরান্ত থেকে আসা জুয়াড়িদের অবাধ আনাগোনা বাড়ছে। ফলে গ্রামীণ স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে উদীয়মান তরুণ ও যুবসমাজকে। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক উঠতি বয়সী তরুণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।

সাদুল্ল্যাপুর সহ অন্যান্য এলাকা এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির কারণে এলাকার স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও যুবসমাজ দ্রুত ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। পারিবারিক অশান্তি, কলহ এবং ডিভোর্সের সংখ্যাও জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই জুয়া এবং মাদকের সিন্ডিকেট গুঁড়িয়ে না দিলে সাদুল্ল্যাপুর সহ অন্যান্য এলাকাগুলো পুরোপুরি অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।
তবে এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে র‍্যাব ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এই জুয়ার আখড়া বন্ধ করা হোক এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় থানা পুলিশের কার্যকর কোনো পদক্ষেপে না নেওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন ও জুয়ার আসর বসে?তবে এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে র‍্যাব ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এই জুয়ার আখড়া বন্ধ করা হোক এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এ অবস্থায় গ্রামীণ সমাজ রক্ষা, সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে অনতিবিলম্বে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত জুয়াড়িদের গ্রেফতার ও জুয়ার আড্ডা স্থায়ীভাবে বন্ধে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত স্থানে রোগ, প্রতিরোধে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে সারা দেশের ন্যায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ক্রাশ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হোসনেয়ারা বেগম ,উপজেলা আইটি অফিসার হেমেন্দ্র নাথ,সহ কালিগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্যরা ছাড়াও স্থানীয় সুধী ও গ্রাম্য পুলিশের সদস্য, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ময়লা, আবর্জনা ও মশার বংশ বিস্তারের সম্ভাব্য স্থানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে আরও বলেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া ছাড়াও নিজ নিজ বাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের রাউজানে বার্ষিক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাউজান উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ পালিত বাসুর সভাপতিত্বে সভায় যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ রাউজান শাখার সভাপতি রাখাশ সরকার ও বাপ্পা কুমার দাশ।

সভায় মহা আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্যাপীঠ রামকৃষ্ণ সংঘ ও মন্দিরের প্রধান পূজারি তপন চক্রবর্তী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সাঈয়িদ বিন আমান রানা, রাউজান উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম শাহজান সাহিল, রাউজান পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাহাদাত মির্জা এবং রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের দক্ষিণ রাউজান উপকমিটির সাধারণ সম্পাদক বিটু কান্তি দে, রাউজান পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রিদুয়ানুল হক, রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পা কুমার দাশ, রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের সভাপতি নরেশ দাশ গুপ্ত, সংগঠনের পৌরসভা সভাপতি ডা. লিটন শর্মা, দক্ষিণ রাউজান গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক শিক্ষক সমীর চন্দ্র দে, রাউজান পৌরসভা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম পিংকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ-যুগ্ম সম্পাদক এম এস নেওয়াজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল খান, বিএনপি নেতা শহীদ চৌধুরী, রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের পৌরসভা সাধারণ সম্পাদক ভোমর দাশ, শিক্ষক বিজয় বিশ্বাস ও শিক্ষক মাধব নন্দীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক রূপস দাশ গুপ্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক বাপ্পা দাশ, গণসংযোগ সম্পাদক দূর্জয় দাশ সূর্য, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংরক্ষণ সম্পাদক ঈশান ভট্টাচার্য, সহ-পূজা বিষয়ক সম্পাদক সুমন রায়, প্রচার সম্পাদক প্রান্ত পালিত, সহ-সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রি পালসহ কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক রাউজান সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অর্পণ মহাজন রিপু, বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক পাভেল চৌধুরী, রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক মানু কর্মকার, রাউজান পৌরসভা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, যুবদল নেতা শাকিল চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় রাউজান উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ রাউজান এবং পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:

যশোর সদর উপজেলার আউলিয়া গ্রামে নেশার টাকার জন্য বাবা-মাকে মারধর, ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে ছেলে শুভ শেখের (২৬) বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন তার মা করিমন নেছা।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী করিমন নেছা আউলিয়া গ্রামের দেলোয়ার শেখের স্ত্রী। আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শুভ শেখ তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভরণপোষণ দেন না। পাশাপাশি নেশার টাকা জোগাড় করতে বাড়ির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি করে বিক্রি এবং বাবা-মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে করিমন নেছা তার ছেলেকে নেশার পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পরামর্শ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুভ শেখ তার বাবা-মাকে মারধর করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে আহত বাবা-মাকে উদ্ধার করেন।

মামলার বাদীর আরও অভিযোগ, এ ঘটনা নিয়ে সালিশ বা মামলা করলে বাবা-মাকে হত্যার হুমকি দেন শুভ শেখ। স্থানীয় ও পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর আইনগত প্রতিকার পেতে আদালতে মামলা করেন করিমন নেছা।

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলায় সরকারি অর্থায়নে সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও ব্যবহৃত নিম্নমানের উপকরণ সরিয়ে না নিয়ে পুনরায় একই ধরনের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরুর অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

ডিমলার বাবুরহাট জিসি-ডালিয়া আরএইচ সড়ক ভায়া শুটিবাড়ি সড়ক সংস্কারকাজে এ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় কাজ শুরু করে। এ সময় রাবিশ মিশ্রিত খোয়া, ভাঙা ইটসহ নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যায়।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় সড়কটির সংস্কারকাজ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ২ কোটি ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩১৫ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ২ কোটি ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৯ টাকা ২৫ পয়সা। কাজটি পেয়েছে নীলফামারী সদরের মসজিদপাড়া এলাকার মেসার্স সিদ্দি ইঞ্জিনিয়ারিং মার্কস। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. মাহফুজার রহমান সাদ্দাম।

কার্যাদেশ অনুযায়ী ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ কাজ শুরু হয়ে ১৮ মে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ শেষ হয়নি। কাজের শুরুতেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। পরে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান ও এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সড়কটি পরিদর্শন করেন। স্থানীয়দের দাবি, পরিদর্শনের পর নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং কাজ বন্ধ রাখা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নমানের খোয়া, রাবিশ ও ভাঙা ইট পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়া হয়নি। বরং সেগুলো ব্যবহার করেই পুনরায় কাজ শুরু করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত কার্পেটিং তুলে সংস্কারের প্রস্তুতি চলছে। কোথাও রাবিশ মিশ্রিত খোয়া দিয়ে বেজ তৈরির কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সড়কের দুই পাশে রেজিংয়ের ক্ষেত্রেও ভাঙা ও নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের পর সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী আশাবাদী হয়েছিল। কিন্তু নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ হওয়ার পরও একই ধরনের মালামাল দিয়ে কাজ করায় তারা হতাশ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এলজিইডি নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামীম আখতার বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে। নতুন ও ভালো মানের মালামাল দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে।

ডিমলা উপজেলা প্রকৌশলী মো. মফিজুর রহমানও একই দাবি করে বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অনিয়ম পাওয়ায় আগের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নতুন করে মানসম্মত মালামাল সরবরাহ করে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ এবং প্রকৌশলীদের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে ব্যবহৃত খোয়া, ইট ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর গুণগত পরীক্ষা, কাজের পরিমাণ, পরিমাপ বই, বিল-ভাউচার এবং পূর্বের পরিদর্শন প্রতিবেদন যাচাই করা প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ সম্পন্ন হলে বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও সড়কটি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। তাই প্রকল্পের নির্মাণসামগ্রী ও কাজের মান নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সাইফুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নের বড় ডুমরিয়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গাভী ও ১টি বাছুরসহ একটি গোয়ালঘর পুড়ে গেছে। এতে জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কৃষক ও বিদেশফেরত উৎসব বাইন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে উৎসব বাইনের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে বিদেশ থেকে আনা জমানো টাকা দিয়ে গাভীর খামার শুরু করেন উৎসব বাইন। পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় তিনি গাভীগুলো লালন-পালন করছিলেন। এর মধ্যে একটি গাভী বাচ্চা দিয়েছিল এবং প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লিটার দুধ পাওয়া যেত। আরও দুটি গাভী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বাচ্চা দেওয়ার উপযুক্ত ছিল।

উৎসব বাইনের বড় ভাই অনিমেষ বাইন জানান, পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়ার পর গোয়ালঘরে থাকা বৈদ্যুতিক সংযোগের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

আগুন দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ৫টি গাভী ও ১টি বাছুর পুড়ে মারা যায় এবং গোয়ালঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উৎসব বাইন বলেন, “আমি ১৫ বছর সিঙ্গাপুরে ছিলাম। বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করেছি। তেমন টাকা আয় করতে পারিনি। দুই বছর আগে দেশে ফিরে বিদেশ থেকে আনা টাকা দিয়ে গাভীর খামার শুরু করি। জীবনের জমানো অর্থ ও শ্রম দিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। এই গরুগুলোই ছিল আমার পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। রাতের আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, “গরুগুলোকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। চোখের সামনে তাদের পুড়ে যেতে দেখেছি, কিন্তু কিছুই করতে পারিনি। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে এখন অসহায় হয়ে পড়েছি।”

ডুমরিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নিজাম শেখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, উৎসবের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকেও যথাসম্ভব সহযোগিতা করা হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি তাদের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনা করে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে।

মোঃ বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো
ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে একটি ভারতীয় গরু আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
(২৩ সেপ্টেম্বর) বুধবার ভোর বেলা উপজেলার ঝাড়সিংহেশ্বর সীমান্ত বিজিবি অভিযান
সূত্রে জানা গেছে, ভোর আনুমানিক ৩,৩০ মিনিটে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর অধীন ঝাড়সিংহেশ্বর বিওপির একটি টহলদল সুবেদার মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। বিএসবি ও এসআইপি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার ৭৯৫/৫-এস থেকে প্রায় ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঝাড়সিংহেশ্বর এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছিল।
এ সময় টহলদল কয়েকজন ব্যক্তিকে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে গবাদিপশু নিয়ে বাংলাদেশের দিকে প্রবেশ করতে দেখেতে পেয়ে বিজিবির উপস্থিতি টেরপেরে তারা গবাদিপশু ফেলে দ্রুত ভারতীয় সীমান্তের দিকে চলে যায়।
পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল ও আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে একটি ভারতীয় গরু উদ্ধার করেন। বিজিবির হিসাবে উদ্ধার করা গরুটির আনুমানিক মূল্য ৪৫ হাজার টাকা হতে পারে বলে যানায়।
আটক গরুটির বিষয়ে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কাস্টমস কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গবাদিপশু পারাপার ও চোরাচালান বন্ধে টহল এবং নজরদারি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে যানায়।

সুজন চন্দ্র দাস দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

আসন্ন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৌরীপুরে নিসচা কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নিসচা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন। সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসান ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নিসচা দাউদকান্দি শাখার উপদেষ্টা ও দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ প্রেমদাস রায়।
সভায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
এ ছাড়া পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, চালক-হেলপারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা সভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক ব্যবহারে উৎসাহিত করা, পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা এবং বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক চিহ্নিত করে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, ক্ষতিগ্রস্ত বা ঢেকে যাওয়া রোড সাইন সংস্কার ও দৃশ্যমান করা এবং অবৈধ পার্কিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
এ ছাড়া নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং প্রয়াত জাহানারা কাঞ্চনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ, মাহফিল ও দোয়ার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আলোচনা সভা শেষে নিসচা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সদস্যদের পরিচয়পত্র পরিয়ে দেন হাইওয়ে থানার ওসি প্রেমদাস রায়।
উল্লেখ্য, আগামী ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হবে।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ, টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ২০২১ সালের একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত রোহিঙ্গা আসামি সেলিম (২৪)কে গ্রেপ্তার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে টেকনাফের ২২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উনচিপ্রাং এ/৪ ব্লকের একটি বসতঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৬ এপিবিএন সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের এসআই (নিরস্ত্র) শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে রাত্রীকালীন টহল দল ক্যাম্প-২২-এর এ ব্লকে অভিযান চালায়। এ সময় এ/৪ ব্লকের ৫৫৫ নম্বর ঘর থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এপিবিএন সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার সেলিমের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় ২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারি একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির জিআর নম্বর ২৮/২১। এতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৬৪, ৩৮৫ ও ৩২৩ ধারায় অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে এপিবিএনের স্কটের মাধ্যমে সেলিমকে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ১৬ এপিবিএন।