October 28, 2026

ধর্ম

রনজিৎ সরকার রাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ বছর বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলায় মোট ২৭৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এর মধ্যে বীরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৬৩টি এবং কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১১২টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের কাজ চলছে। প্রতিমা তৈরির কারিগর ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। পূজাকে ঘিরে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

পূজাকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিয়মিত যোগাযোগ ও মনিটরিং করছেন।

দিনাজপুর-১ আসনের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাবু মহেশ রায় এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু গোপাল চন্দ্র দেবশর্মা জানান, এবার আগে থেকেই প্রতিটি মণ্ডপে প্রশাসনিক নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু মণ্ডপগুলোর দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের রাউজানে বার্ষিক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাউজান উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ পালিত বাসুর সভাপতিত্বে সভায় যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ রাউজান শাখার সভাপতি রাখাশ সরকার ও বাপ্পা কুমার দাশ।

সভায় মহা আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্যাপীঠ রামকৃষ্ণ সংঘ ও মন্দিরের প্রধান পূজারি তপন চক্রবর্তী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সাঈয়িদ বিন আমান রানা, রাউজান উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম শাহজান সাহিল, রাউজান পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাহাদাত মির্জা এবং রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের দক্ষিণ রাউজান উপকমিটির সাধারণ সম্পাদক বিটু কান্তি দে, রাউজান পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রিদুয়ানুল হক, রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পা কুমার দাশ, রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের সভাপতি নরেশ দাশ গুপ্ত, সংগঠনের পৌরসভা সভাপতি ডা. লিটন শর্মা, দক্ষিণ রাউজান গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক শিক্ষক সমীর চন্দ্র দে, রাউজান পৌরসভা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম পিংকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ-যুগ্ম সম্পাদক এম এস নেওয়াজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল খান, বিএনপি নেতা শহীদ চৌধুরী, রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের পৌরসভা সাধারণ সম্পাদক ভোমর দাশ, শিক্ষক বিজয় বিশ্বাস ও শিক্ষক মাধব নন্দীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক রূপস দাশ গুপ্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক বাপ্পা দাশ, গণসংযোগ সম্পাদক দূর্জয় দাশ সূর্য, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংরক্ষণ সম্পাদক ঈশান ভট্টাচার্য, সহ-পূজা বিষয়ক সম্পাদক সুমন রায়, প্রচার সম্পাদক প্রান্ত পালিত, সহ-সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রি পালসহ কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক রাউজান সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাউজান ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অর্পণ মহাজন রিপু, বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক পাভেল চৌধুরী, রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক মানু কর্মকার, রাউজান পৌরসভা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, যুবদল নেতা শাকিল চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় রাউজান উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ রাউজান এবং পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও সাত শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯১৯ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু না হলেও সন্দেহজনক হামে সাতজন মারা গেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ঢাকা এবং একজন করে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে প্রাণ হারিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সংক্রান্ত রোগে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৯ জনে।

এছাড়া, নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩৯ জনের। এর সবই পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে। একই সঙ্গে নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮১৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ৭০ হাজার ৬৩৮ জন। অন্যদিকে, একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ছয়জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৬৩ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেট ও রাজশাহীতে তিনজন করে এবং ময়মনসিংহে দুজন মৃত্যুবরণ করেছে।

সেই সঙ্গে সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সিলেটে ১৫৭, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৭৭, চট্টগ্রামে ৬৯, বরিশালে ৫৭, খুলনায় ৩৯ ও রংপুরে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের দেশ এখন ভালো নেই, এটা আমরা সবাই স্বীকার করছি। সরকারও তা স্বীকার করতে বাধ্য। আমরা একটি ভালো দেশ চাই। দেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, বিরোধী দলেরও রয়েছে। উভয় পক্ষকে মিলে দেশ গড়তে হবে। বর্তমানে মহাসংকটে রয়েছে দেশ—বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ছয়টি জনদাবি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় রাস্তায় নেমেছি। প্রথম দফায় বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করেছি। সেটি শেষ হওয়ার পর গত ৫ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের কোনো দলীয় দাবি নেই, এগুলো জনদাবি।

তিনি বলেন, প্রথম দফার কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। কর্মসূচিগুলো নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ছিল। ‘হৈ-হুল্লোড়, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দেশের কোনো ক্ষতি করতে চাই না আমরা।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। তাহলে জনগণের ক্ষতি করব কেন? বরং জনগণকে সম্পৃক্ত করে দাবি আদায়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হব। সরকার একসময় হয়তো এসব দাবি বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে এবং বিষয়গুলোর সমাধানের পথ বের করবে।

সরকার সহযোগিতা চাইলে বিরোধী দল হিসেবে পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার দেশের ও জাতির প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমরা সব সময় প্রস্তুত। সরকার সুযোগ দিলে বিরোধী দল হিসেবে ন্যায্য অবদান রাখার পক্ষে আমরা রয়েছি। সহযোগিতা হবে চোখ খুলে, বিরোধিতা হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে।

জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান, শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত বদলাচ্ছে শক্তির সমীকরণ। একদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত, অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই রাশিয়া ও চীনের ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ছে। ইরানের সঙ্গেও দুই দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুরোনো বিশ্বব্যবস্থার সামনে তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি। রাশিয়া, চীন ও ইরানের মতো দেশগুলোর পাশাপাশি ভারতও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সম্মেলনের আলোচনায় উঠে এসেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার, উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর মতো বিষয়।

রাশিয়া-চীন সম্পর্কের নতুন মাত্রা

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব রাজনীতিতে প্রায় একক প্রভাব বিস্তার করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়ার শক্তি বৃদ্ধির ফলে সেই একক আধিপত্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া আরও বেশি করে চীনের দিকে ঝুঁকেছে। চীনও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়িয়েছে। দুই দেশের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গেও রাশিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। তিন দেশই পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ায় তাদের পারস্পরিক সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে।