October 28, 2026

শিক্ষা

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):

‘উপযুক্ত সময়ে সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দিন। প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা না করে কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক স্খলনের জন্য দায়ী করা উচিত নয়’—এমন সচেতনতামূলক বার্তাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের রাউজানে কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক শিক্ষা ও জীবনদক্ষতা উন্নয়নে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে Wisdom Media Communications Ctg-এর উদ্যোগে এবং দুলাল রেনু ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় রাউজান উপজেলার আধার মানিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। আধার মানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালার শিরোনাম ছিল ‘Workshop on Moral Education & Life Skills Session for Adolescent’।

আধার মানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি চম্পক বড়ুয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজহিতৈষী ও World PEC-Bangladesh-এর উপদেষ্টা প্রদীপ বড়ুয়া।

কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ, রাউজান উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বিনন্দ বড়ুয়া, দুলাল রেনু ফাউন্ডেশনের পরিচালক শিমুল বড়ুয়া সুমন, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ, রাউজান উপজেলা শাখার নির্বাহী সদস্য চম্পক বড়ুয়া ও জীবন বড়ুয়া, একতা সংঘের সভাপতি রনদীশ বড়ুয়া, সমাজকর্মী মো. লোকমান হাকিম, ডা. উজ্জ্বল দে ও সুজন বড়ুয়া প্রমুখ।

কর্মশালায় কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক শিক্ষা, জীবনদক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মহত্যা প্রতিরোধ এবং ধর্মান্তর বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন Wisdom Media Communications Ctg-এর পরিচালক চন্দন কুমার বড়ুয়া এবং ত্রৈমাসিক দীপঙ্কর প্রজ্ঞাবার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও এনজিও ব্যক্তিত্ব প্রণব বড়ুয়া।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় ১৩ জন ছেলে ও ২৩ জন মেয়েসহ মোট ৩৬ জন কিশোর-কিশোরী অংশগ্রহণ করে। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা, জীবনমুখী দক্ষতা অর্জন এবং বিভিন্ন সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কর্মশালাটি সফলভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তরিক সহযোগিতা করায় আধার মানিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, আধার মানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ এবং দুলাল রেনু ফাউন্ডেশনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন Wisdom Media Communications Ctg-এর কর্তৃপক্ষ।

আয়োজকরা মনে করেন, আগামী প্রজন্মকে সুনাগরিক ও দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে নৈতিক শিক্ষা এবং জীবনদক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজন অব্যাহত রাখতে সমাজহিতৈষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁরা।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি


৭ বছর ধরে বেতন-ভাতা পান না শিক্ষক-কর্মচারীরা

শ্রেণিকক্ষ,স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির সংকট

নেই খেলার মাঠ

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা ক্যাম্পাসের কোয়ার্টারে বসবাস করেন। তাদের সন্তানদের দূরের স্কুলে না পাঠিয়ে, ক্যাম্পাসের মধ্যেই মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় । বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চমৎকার ও নিরাপদ পরিবেশ শিশুদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে। ক্যাম্পাসের বিশাল জায়গা, খেলার মাঠ এবং অন্যান্য অবকাঠামো ব্যবহারের মাধ্যমে স্থানীয় বা ভেতরের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা সহজ হয়। এমন বিবেচনায় ২০১৭ সালে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের লাইব্রেরীর পাশে মনোরম পরিবেশ একটি স্কুল যাত্রা শুরু করে । নাম দেওয়া হয় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তখন ১৬ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রথম বছর এখানে ৬৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। খোলা হয়নি কলেজ শাখা । ২০১৯ সালের পর শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায় । ২০২০ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে বিদ্যালয়টি পাঠদানের অনুমোদন পায়। পরে স্কুলটিকে ভিসির বাসভবনের পাশে স্থানান্তর করা হয় । তারপর থেকেই বিদ্যালয়টির সৌন্দয্য হারাতে থাকে। শ্রেণিকক্ষ সংকট, নিরাপদ খাবার পানির অভাব, স্যানিটেশন ও পরিবহন সমস্যায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমতে থাকে । বর্তমানে এ বিদ্যালয়ের প্লে শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণিতে মাত্র ১৬০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুকাইয়া খানম বলে, আমি এখানে প্লে থেকে ৫ শ্রেণিতে পড়ছি। আমাদের বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠানো ভাল নয়। ওয়াশ রুম ও নিরাপদ খাবার পানির সমস্যা রয়েছে। ভিসি স্যার আমাদের এ সমস্যা সমাধান করবেন বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফরিদুজ্জামান আহসাফ বলে, ওষাশ রুমের সাথে ঝোপ-জঙ্গল। সেখানে সাপ থাকে । ভয় লাগে। এছাড়া বৃষ্টি হলে ক্লাস রুমের চাল দিয়ে পানি পড়ে।

৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়ান বলে, খেলার মাঠ নেই। রোদে প্রচন্ড গরমের মধ্যে ক্লাস করতে হয়। বৃষ্টি হলে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে ভিজে যাই । খুব কষ্ট করে ক্লাস করি। স্কুলে খেলার মাঠ নেই। শ্রেণি কক্ষের অবস্থা খুব খারাপ। তাই স্কুলের খেলার মাঠ ও নতুন ভবন চাই।

প্রাক প্রাথমিকের তাইবুল্লাহ রোহান ও প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী আশিকুল্লাহর মা তাসলিমা বেগম বলেন, এখানে শিক্ষকরা আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করেন। তারা শিশুদের সুন্দরভাবে টেক কেয়ার করেন। তাদের কারণেই ২ ছেলেকে এখান থেকে নিয়ে অন্য স্কুলে দেইনি। তারা এখানেই পড়ছে ।

৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুর রহিমের মা সায়লা জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চমৎকার ও নিরাপদ পরিবেশ শিশুদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে। এ কারণে এখানে সন্তানকে ভর্তি করিয়েছে। কিন্তু এখানে সুযোগ সুবিধিার তুলনায় সমস্যা অনেক বেশি । এক কক্ষে একই সাথে ২টি ক্লাস নেওয়া হয়। ক্লাসে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। আর অন্যান্য সমস্যাতো রয়েছেই।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো: নাজমুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমি এ স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেছি। এখন গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই বিভাগে পড়ছি। স্যার-ম্যামরা বিদ্যালয়টিকে নিজের সন্তানেরমতো করে গড়ে তুলেছেন। কিন্তু তারা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। এটি খুব কষ্টের। ‍বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটির সমাধান দেবেন বলে আমি আশা প্রকাশ করছি।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ঈমান আলী বলেন, আমি বর্তমানে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে পড়াশোনা করছি। আমাদের সময় বিদ্যালয়ের অবস্থা খুব ভাল ছিল। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিদ্যালয়টি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এটি সমাধান করে বিদ্যালয়টিকে মডেল বিদ্যালয়ে পরিনত করতে হবে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিম আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে ভিসি চলে যওয়ার পর আমাদের বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে আছে। স্কুলটি লাইব্রেরির পাশ থেকে স্থানান্তর করে ভিসি স্যারের বাড়ির পাশে আনা হয়। তারপর থেকে সংকট বাড়তে থাকে। এখন শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। ভিসি স্যার স্কুলের সমস্যা দূর করলে এথানে শিক্ষারমান ও

শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পাবে। এটি জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

সহকারী শিক্ষক আফরোজা খানম বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে, বিদ্যালয়টির সমস্যা সমাধানের জন্য ভিসি স্যারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি ।

সহকারী শিক্ষক আলেয়া বেগম বলেন, দীর্ঘ ৭ বছর বেতন-ভাতা পাচ্ছি না। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকা ও আমাদের পকেটের টাকা দিয়ে স্কুল চালিয়ে যাচ্ছি। এতে আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে খুব কষ্ট হচ্ছে। কোন কোন শিক্ষক খুলনা, কোটালীপাড়া সহ বিভিন্ন জেলা,উপজেলা থেকে নিয়মিত স্কুল করেন। তাদের কষ্ট আরো বেশি। তাই সদ্য যোগদান করা ভিসি স্যার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করবেন বলে দাবি জানাচ্ছি।

ভিসি প্রফেসর ড. মো: সোহেল হাসান বলেন, বিদ্যালয়টির কোন অনুমোদন নেই। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামেও নেই। এখানে বিদ্যালয় হয়েছে। শিক্ষক, কর্মচারী-শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাই আমি কমিটি করে এটি অর্গানোগ্রামের মধ্যে অন্তভূক্ত করব। তারপর ইউজিসির অনুমোদন নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেব। স্কুলের ব্যাপারে যা যা করার, তা আমি করব। শিশুরা জাতির জাতির ভবিষ্যত। তাদের শিক্ষা প্রসার, মেধা মনন ও কল্যাণে আমি বিদ্যালয়ের সমস্যার সমাধান করব।

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (A+) প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আজ ১৭ই অক্টোবর মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় মাঠে খোলা চত্বরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই মেধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রংপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা শিক্ষা অফিসার এনায়েত হোসেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি জনাব মাওলানা এনামুল হক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মিঠাপুকুর উপজেলা শাখার সভাপতি গোলাম রব্বানীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা,শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আরো অনেকেই উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি গোলাম রব্বানী বলেন, আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল চালিকাশক্তি। কেবল ভালো ফলাফল করলেই হবে না, মেধার সঠিক বিকাশ ঘটিয়ে নিজেদের দেশ ও দশের কল্যাণে নিয়োজিত করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান হয়ে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজকের এই গৌরবোজ্জ্বল ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, বরং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও অভিভাবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলে দেশের উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য তারা তরুণ সমাজকে আহ্বান জানান।

সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ও মতামত ব্যক্ত করেন। কৃতি শিক্ষার্থীরা বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির এই আয়োজন আমাদের জীবনের অন্যতম সেরা একটি দিন উপহার দিয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্যের হাত থেকে ক্রেস্ট নেওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও অনুপ্রেরণার।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের মতামত প্রকাশ করে বলেন, তারা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়ে দেশ ও বিশেষ করে অবহেলিত মিঠাপুকুর উপজেলার মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে চান। একই সঙ্গে তারা এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও মা-বাবার ত্যাগকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী, তাদের শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পুরো মহাবিদ্যালয় মাঠজুড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

মোঃ রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ৩ নম্বর দলদলী ইউনিয়নের ময়ামারী মোড়ে অবস্থিত মারকাযুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসার হিফজ সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইত্তেহাদুল উলামা ওয়াল হুফ্ফাজ ফাউন্ডেশন, ভোলাহাটের সভাপতি কারী মাওলানা জিয়াউর রহমান, মাওলানা ইমরান হোসেন, মাওলানা বদরুজ্জামান, মাওলানা এনামুল ইসলাম, মাওলানা নজরুল ইসলাম ও কারী আলাউদ্দিনসহ স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীরা।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা পবিত্র কোরআনের শেষ সবক শোনান। হিফজ সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের হাতে জায়নামাজ ও ইসলামিক বই উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত আলেমরা হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন এবং তাঁদের কোরআনের শিক্ষা ও আদর্শ জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।

শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেছেন,
আপনারা জানেন গত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো।বিগত সরকার একটি রাষ্ট্রের পরামর্শে এ জাতিকে মেধাশূন্য করে দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো।

শিক্ষকদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল যে, খাতায় শিক্ষার্থীরা না লিখলেও যেন তাদেরকে পাশ করিয়ে দেয়া হয়।বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে। সরকার শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ শনিবার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার আরডিএ হলরুমে উপজেলা পৌর ও কলেজ ছাত্রদল আয়োজিত পঞ্চম শ্রেণীর ১৬০ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকার শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি নির্ভর শ্রেণিকক্ষ পরিচালনার জন্য ‘অন টিচার ওয়ান ট্যাব’কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

এছাড়াও আগামীতে সারাদেশে ‘মিড ডে মিল’কর্মসূচি চালু ও শিক্ষার্থীদেরকে পোশাক এবং ব্যাগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে।

এস এম জিলানী উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।এই পদক্ষেপের বাহিরে ও আমি এ কোটালীপাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য আমার ব্যক্তি উদ্যোগে কাজ করতে চাই।

আপনার আমাকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করুন। আপনাদের পরামর্শ নিয়ে আমি সকল সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবো।

উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি লালন শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার হাওলাদার, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান হাওলাদার,উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিলয় হাওলাদার মোস্তফাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ বক্তব্য রাখেন।

সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পুনিয়াউট মোড় এলাকায় অবস্থিত হারামাইন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা। প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে চার শিক্ষার্থীকে হেলিকপ্টারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে তাদের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরিয়ে দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি বিভাগের প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তিনজনকে নির্বাচন করা হয়।

পাশাপাশি সারা বছর কোনো ধরনের অন্যায় বা অভিযোগে জড়িত না থাকা একজন শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে চার শিক্ষার্থী পেয়েছে এই ব্যতিক্রমী পুরস্কার।

হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া চার শিক্ষার্থী হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের আলাল হোসেনের ছেলে ইয়াছির আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উলচাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ছিয়াম আহমেদ, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মিজানুর রহমানের ছেলে আবু বকর ছিদ্দিক এবং নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে জাহিদুল হাসান।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ ক্বারী শাহ আহমাদ রিফাত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃতী সন্তান। তাঁর পিতার নাম শাহ আলম।

২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো, ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করা এবং নৈতিক চরিত্র গঠনে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন প্রতিবছর চালু রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এদিকে নবীনগর উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। নবীনগর উপজেলার সন্তানরা এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ভর্তি বা অন্যান্য ফি নেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা সভাকক্ষে আজ ৮ই অক্টোবর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের আনুষ্ঠানিক যোগদান, বরণ ও ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পারভেজের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক এবং মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রব্বানী। এছাড়াও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষা শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার মানোন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজ নবীন শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা হলো একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার মূল ভিত্তি। নতুন শিক্ষকদের মেধা ও সততার মাধ্যমেই প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত হবে।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নতুন শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা দলমত নির্বিশেষে উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুশাসন এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সাথে কোমলমতি শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেন।
নবীন শিক্ষকদের উচ্ছ্বাস

আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হতে পেরে নতুন শিক্ষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা প্রত্যেকেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে নিজেদের নিয়োজিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মিষ্টি মুখ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

​নীলফামারী প্রতিনিধি:
অবশেষে সকল অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার অবসান ঘটিয়ে ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় গেজেটভুক্ত হয়েছেন নীলফামারীর অদম্য মেধাবী সোহেল রানা। শিক্ষা ক্যাডারের ইতিহাস বিভাগে সারাদেশের মধ্যে মেধাক্রমে ১ম স্থান অধিকার করেও প্রথম দফার চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেটে তার নাম না থাকায় এক আশঙ্কাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় দফার সম্পূরক গেজেটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার বইছে।
​সোহেল রানা নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান। তার বাবা আবু হোসেন পেশায় একজন সাধারণ কৃষক এবং মা সাহিদা বেগম গৃহিণী।
​অভাব-অনটনের নুন আনতে পান্তা ফুরানো সংসারে বড় হলেও পড়াশোনার প্রতি সোহেল রানার অদম্য আগ্রহ ও স্বপ্ন কখনো দমে যায়নি। প্রতিকূল পরিস্থিতিকে জয় করে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন।
​এরপর ৪৯

রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:”

শিক্ষক গড়েন সভ্যতা” ‘শিক্ষক মানেই আলোর দিশা’-এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনে দিনাজপুর বীরগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৫ অক্টোবর সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন, প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার এবং বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষক সমন্বয় পরিচালিত বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ‘বীরগঞ্জ উপজেলা শাখা’র আয়োজনে এ কর্মসুচি পালিত হয়।

উপজেলা ক্যাম্পাস ও পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কে র‍্যালিতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহজিদা খানম.

জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, সাবেক ভিপি, চেম্বার অফ কনার্সের পরিচালক, ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু।

দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ও প্রাইমারি স্কুল শাখার শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান বাবু এবং সদস্য সচিব আবুল কাশেম।

মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আহসান হাবীব ও সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি নেতা ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ শিপন।

বীরগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, দলুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক লব, কল্যাণী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম এবং দলুয়া স্কুলের শিক্ষক আব্দুল আহাদ,

এছাড়াও নওপাড়া স্কুল এন্ড কলেজ, দলুয়া স্কুল এন্ড কলেজ, ঝাড়বাড়ি, গোলাপগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং উপজেলার অন্যান্য স্কুল কলেজ মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষকগন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেছে।

শিক্ষক দিবস কর্মসূচি পালনকারীরা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোমা খাতুনের কার্যালয় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রধান শিক্ষক খামার খড়িকাদাম উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক ও মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল কাদের মাস্টার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছন

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুরে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৮৩ জন সহকারী শিক্ষকের পাঁচ দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কোর্স শুরু হয়েছে। আজ ৪ অক্টোবর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং জীবনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে এই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে প্রধান সমন্বয়ক ও নির্দেশক হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র রায়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার (এটিও) মোঃ শাহেদুল হক।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা এবং প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর ধারণা দেওয়াই এই ওরিয়েন্টেশনের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের আরও আকর্ষণীয় ও আনন্দদায়ক পরিবেশে পাঠদান করাতে পারবেন।

ওরিয়েন্টেশন কোর্সে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র রায় এবং বিশেষ অতিথি এটিও মোঃ শাহেদুল হক নতুন শিক্ষকদের স্বাগত জানিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান, আন্তরিক ও তথ্যপ্রযুক্তিবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান। সংশ্লিষ্টদের আশা, নতুন এই শিক্ষকদের হাত ধরে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও গুণগত পরিবর্তন, সৃজনশীলতার বিকাশ এবং একটি আলোকিত আগামী গড়ে উঠবে।