October 29, 2026

গণমাধ্যম

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, বিশেষ প্রতিনিধি,রাজশাহী।

রাজশাহীর দুর্গাপুরে অবৈধ রাসায়নিক সার উদ্ধারের পর ‘৩২৫ বস্তা সার গায়েব’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, তথ্যবিকৃত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে সার উদ্ধার, গণনা, সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নথিপত্র উপস্থাপন করেছে প্রশাসন।

একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলামও লিখিত বক্তব্য দিয়ে সারের বস্তা গায়েব হওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

অভিযানে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ

প্রশাসনের লিখিত তথ্যমতে, গত ১০ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুর উপজেলার কিসমতগণকৈড় ইউনিয়নের আড়ইল গ্রামের ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলামের তালাবদ্ধ বসতবাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানা।

অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে বাড়িতে থাকা সার গণনা করা হয়।

গণনায় বারান্দা ও ভেতরের কক্ষে ৩২৪ বস্তা ডিএপি, ২৪৬ বস্তা ইউরিয়া এবং ১০০ বস্তা টিএসপি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।

বিক্রি ও সরকারি কোষাগারে অর্থ জমার দাবি

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দ করা ৬৭০ বস্তা সারের কোনো অংশ গায়েব হয়নি। কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত সরকারি মূল্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছে সারগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সার বিক্রি করে মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২৫০ টাকা পাওয়া যায়। ওই অর্থ ই-চালানের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কোডে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত চালান নম্বর ২৬২৭-০০১৭১১৪৪৫২২১ এবং বিক্রির মাস্টাররোল সরকারি হেফাজতে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

দুই উপজেলায় মোট এক হাজার বস্তা সার জব্দ

প্রকাশিত সংবাদের বিভ্রান্তির কারণ হিসেবে প্রশাসন জানিয়েছে, একই দিনে পার্শ্ববর্তী পুঠিয়া উপজেলার কার্তিকপাড়া বাজারে সাইদুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘মেসার্স নিশি কীটনাশক বিপণী’তেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন আরও ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করে।

অর্থাৎ, দুর্গাপুর ও পুঠিয়া—দুই উপজেলা মিলিয়ে সাইদুল ইসলামের মোট ১ হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়েছিল বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তবে প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুঠিয়া উপজেলার ৩৩০ বস্তা সারের বিষয়টি উল্লেখ না করে দুর্গাপুরের হিসাবের ভিত্তিতে ৩২৫ বস্তা সার গায়েবের অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের।

ব্যবসায়ীর লিখিত বক্তব্য

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম তাঁর লিখিত বক্তব্যে জানান, তাঁর কোনো সার বিক্রির লাইসেন্স ছিল না। চট্টগ্রাম, যশোর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে সার এনে নিজ বাড়িতে অবৈধভাবে মজুত করে মৎস্যচাষীদের কাছে বিক্রি করতেন বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও দাবি করেন, অভিযানের সময় উপস্থিত সবার সামনে বস্তা গণনা করে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। ফলে সারের হিসাব কম-বেশি হওয়ার সুযোগ নেই।

এছাড়া প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে তিনি কোনো সাংবাদিক বা পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেননি কিংবা কোনো জবানবন্দি দেননি বলেও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

তদন্ত কমিটি গঠন

ঘটনার প্রকৃত বিষয় উদঘাটনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেনকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর সারের হিসাব, জব্দ, বিক্রি ও সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির জুলাই-২০২৬ মাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১.০০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মো: আরিফ-উজ-জামান, মহোদয়ের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য”জনাব এ কে এম বাবর মহোদয, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, জনাব মো: হাবীবুল্লাহ মহোদয়।

সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় অত্র জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। জেলা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কার্যক্রম পর্যালোচনা, মাদকের বিরুদ্ধিসহ সকল ধরনের অপরাধ অনলাইন জুয়া, সড়ক দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার প্রতিরোধ, সড়কের শৃঙ্খলা ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও জনভোগান্তি সৃষ্টি করে এমন অপরাধ দমনে আরও সক্রিয় হওয়ার মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা সকল শ্রেণীর মানুষের সার্বিক সহযোগিতা ব্যক্ত করেন।

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও সাত শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯১৯ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু না হলেও সন্দেহজনক হামে সাতজন মারা গেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ঢাকা এবং একজন করে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে প্রাণ হারিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সংক্রান্ত রোগে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৯ জনে।

এছাড়া, নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩৯ জনের। এর সবই পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে। একই সঙ্গে নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮১৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ৭০ হাজার ৬৩৮ জন। অন্যদিকে, একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ছয়জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৬৩ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেট ও রাজশাহীতে তিনজন করে এবং ময়মনসিংহে দুজন মৃত্যুবরণ করেছে।

সেই সঙ্গে সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সিলেটে ১৫৭, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৭৭, চট্টগ্রামে ৬৯, বরিশালে ৫৭, খুলনায় ৩৯ ও রংপুরে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের দেশ এখন ভালো নেই, এটা আমরা সবাই স্বীকার করছি। সরকারও তা স্বীকার করতে বাধ্য। আমরা একটি ভালো দেশ চাই। দেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, বিরোধী দলেরও রয়েছে। উভয় পক্ষকে মিলে দেশ গড়তে হবে। বর্তমানে মহাসংকটে রয়েছে দেশ—বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ছয়টি জনদাবি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় রাস্তায় নেমেছি। প্রথম দফায় বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করেছি। সেটি শেষ হওয়ার পর গত ৫ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের কোনো দলীয় দাবি নেই, এগুলো জনদাবি।

তিনি বলেন, প্রথম দফার কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। কর্মসূচিগুলো নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ছিল। ‘হৈ-হুল্লোড়, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দেশের কোনো ক্ষতি করতে চাই না আমরা।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। তাহলে জনগণের ক্ষতি করব কেন? বরং জনগণকে সম্পৃক্ত করে দাবি আদায়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হব। সরকার একসময় হয়তো এসব দাবি বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে এবং বিষয়গুলোর সমাধানের পথ বের করবে।

সরকার সহযোগিতা চাইলে বিরোধী দল হিসেবে পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার দেশের ও জাতির প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমরা সব সময় প্রস্তুত। সরকার সুযোগ দিলে বিরোধী দল হিসেবে ন্যায্য অবদান রাখার পক্ষে আমরা রয়েছি। সহযোগিতা হবে চোখ খুলে, বিরোধিতা হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে।

জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান, শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত বদলাচ্ছে শক্তির সমীকরণ। একদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত, অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই রাশিয়া ও চীনের ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ছে। ইরানের সঙ্গেও দুই দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুরোনো বিশ্বব্যবস্থার সামনে তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি। রাশিয়া, চীন ও ইরানের মতো দেশগুলোর পাশাপাশি ভারতও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সম্মেলনের আলোচনায় উঠে এসেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার, উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর মতো বিষয়।

রাশিয়া-চীন সম্পর্কের নতুন মাত্রা

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব রাজনীতিতে প্রায় একক প্রভাব বিস্তার করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়ার শক্তি বৃদ্ধির ফলে সেই একক আধিপত্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া আরও বেশি করে চীনের দিকে ঝুঁকেছে। চীনও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়িয়েছে। দুই দেশের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গেও রাশিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। তিন দেশই পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ায় তাদের পারস্পরিক সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে।