October 28, 2026

DailyJanotarDiary@gmail.com

ডেইলি জনতার ডায়েরি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে সংবাদ প্রতিবেদন ও বিভিন্ন ফিচারধর্মী কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়।

সাইফুল ইসলাম ,
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
১২-০৯-২৬

ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে সন্দেহ জনক অবস্থান করায় গোপালগঞ্জের ৬ জনকে ধরে পুলিশি সপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী নলতা বাজারে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্দেহজনক ঘোরাফেরা করায় স্থানীয় জনতার জিজ্ঞাসাবাদে তারা ভারতে যাওয়ার কথা জানায়। স্থানীয় জনতা তাদেরকে ধরে পুলিশের সোপার্দ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নলতা বাজার এলাকায় সন্দেহ জনক ভাবে চলাফেরা ও কথাবার্তা বলতে দেখে স্থানীয় জনতার সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা অবৈধ পথে ভারতে যাওয়ার কথা জানায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন,গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার জহরের কান্দি গ্রামের মৃত অনিন্দের ছেলে সদানন্দ (৫২), তার ছেলে প্রতীক (২০), সদানন্দের স্ত্রী প্রতিভা বৈরাগী (৪৫), মেয়ে দীপা বৈরাগী (২৪), একই থানার খাগবাড়ি গ্রামের মৃত বুদ্ধিমত্তার ছেলে বিশ্বজিৎ হালদার (২৭) এবং হরিদাস বাবুর ছেলে হরসিত বারই (২৪)। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় স্থানীয় নৌকার ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়া হয়। বিষয়টি থানায় জানানো হলে থানা পুলিশ ৬ জনকে আটক করে থানায় এনে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!

গোপালগঞ্জ শহরের ঘোষেরচর মাস্টারপাড়া এলাকার প্রবীণ মুরুব্বী হারেজ আলী মোল্লা ইন্তেকাল করেছেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) অনুমানিক রাত ৭টা ৩০ মিনিটে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ ছিলেন।

তাঁর ইন্তেকালে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমেছে।

মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমের জীবনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস প্রথম স্থান নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। ছুম্মা আমীন!

মোঃ মিজানুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ।


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র জানপার সরকারপাড়া জামে মসজিদের ছাদের একাংশের ঢালাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ছাদ ঢালাই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সেক্রেটারি ও ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সামিউল ইসলাম; যুব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মোজাহিদ মিয়া এবং ৬নং সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল ইসলাম।

মসজিদটির নির্মাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

এ সময় মসজিদটির নির্মাণকাজ সহজ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়। সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য উত্তম প্রতিদান কামনা করা হয়েছে।

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও সাত শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯১৯ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু না হলেও সন্দেহজনক হামে সাতজন মারা গেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ঢাকা এবং একজন করে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে প্রাণ হারিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সংক্রান্ত রোগে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৯ জনে।

এছাড়া, নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩৯ জনের। এর সবই পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে। একই সঙ্গে নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮১৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ৭০ হাজার ৬৩৮ জন। অন্যদিকে, একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ছয়জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৬৩ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেট ও রাজশাহীতে তিনজন করে এবং ময়মনসিংহে দুজন মৃত্যুবরণ করেছে।

সেই সঙ্গে সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সিলেটে ১৫৭, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৭৭, চট্টগ্রামে ৬৯, বরিশালে ৫৭, খুলনায় ৩৯ ও রংপুরে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের দেশ এখন ভালো নেই, এটা আমরা সবাই স্বীকার করছি। সরকারও তা স্বীকার করতে বাধ্য। আমরা একটি ভালো দেশ চাই। দেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, বিরোধী দলেরও রয়েছে। উভয় পক্ষকে মিলে দেশ গড়তে হবে। বর্তমানে মহাসংকটে রয়েছে দেশ—বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ছয়টি জনদাবি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় রাস্তায় নেমেছি। প্রথম দফায় বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করেছি। সেটি শেষ হওয়ার পর গত ৫ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের কোনো দলীয় দাবি নেই, এগুলো জনদাবি।

তিনি বলেন, প্রথম দফার কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। কর্মসূচিগুলো নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ছিল। ‘হৈ-হুল্লোড়, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দেশের কোনো ক্ষতি করতে চাই না আমরা।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। তাহলে জনগণের ক্ষতি করব কেন? বরং জনগণকে সম্পৃক্ত করে দাবি আদায়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হব। সরকার একসময় হয়তো এসব দাবি বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে এবং বিষয়গুলোর সমাধানের পথ বের করবে।

সরকার সহযোগিতা চাইলে বিরোধী দল হিসেবে পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার দেশের ও জাতির প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমরা সব সময় প্রস্তুত। সরকার সুযোগ দিলে বিরোধী দল হিসেবে ন্যায্য অবদান রাখার পক্ষে আমরা রয়েছি। সহযোগিতা হবে চোখ খুলে, বিরোধিতা হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে।

জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান, শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত বদলাচ্ছে শক্তির সমীকরণ। একদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত, অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই রাশিয়া ও চীনের ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ছে। ইরানের সঙ্গেও দুই দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুরোনো বিশ্বব্যবস্থার সামনে তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি। রাশিয়া, চীন ও ইরানের মতো দেশগুলোর পাশাপাশি ভারতও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সম্মেলনের আলোচনায় উঠে এসেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার, উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর মতো বিষয়।

রাশিয়া-চীন সম্পর্কের নতুন মাত্রা

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব রাজনীতিতে প্রায় একক প্রভাব বিস্তার করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়ার শক্তি বৃদ্ধির ফলে সেই একক আধিপত্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া আরও বেশি করে চীনের দিকে ঝুঁকেছে। চীনও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়িয়েছে। দুই দেশের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গেও রাশিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। তিন দেশই পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ায় তাদের পারস্পরিক সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে।