

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের ২০২৬ সালের অর্ধবার্ষিক বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, তদন্তাধীন পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির গতি বাড়ানো, সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং আদালত চত্বরের নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মহানগর দায়রা জজ আদালতে আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. ইমদাদুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ (২য় আদালত) আশরাফুন্নাহার রীটা।
সম্মেলনে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পক্ষে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউল্লাহ এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের পক্ষে যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ (১ম আদালত) মো. জাহিদ হাসান।
মূল প্রবন্ধে মো. জাহিদ হাসান জানান, সহায়ক কর্মচারীর সংকট থাকা সত্ত্বেও গত আট মাসে মহানগর আদালতে মামলা নিষ্পত্তির হার প্রায় ১৩০ শতাংশে পৌঁছেছে।
সম্মেলনে সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, আলামত সংরক্ষণ ও ধ্বংস, রাসায়নিক পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত, ভিসেরা ও জখমি প্রতিবেদনের গুরুত্ব, এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তাধীন মামলার অগ্রগতি, আদালত চলাকালে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, আদালত ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আদালত চত্বর পরিচ্ছন্ন রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।
আলোচনা শেষে বক্তারা সম্মেলনকে ফলপ্রসূ উল্লেখ করে বলেন, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা বিচারিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুল হক, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. রেজাউল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, আরএমপির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. দেলোয়ার হোসেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আলী আসলাম হোসেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম রাব্বী, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদুল ইসলাম, নেসকোর সহকারী প্রকৌশলী মো. আদনান সাকিবসহ বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, সিআইডি, পিবিআই, বিজিবি, বিএসটিআই, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।




