October 28, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী থানাধীন আমবাগ আতাউর মার্কেট এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুকে ছুরিকাঘাত করে এক নারীকে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত সানজিদা আক্তার (২৩)বরিশালের কোতোয়ালি থানার উলারবাটনা এলাকার বাসিন্দা শাজাহান হাওলাদারের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমবাগ আতাউর মার্কেট এলাকায় বাসা ভাড়া থাকতো সানজিদা আক্তার। তার স্বামী জুয়েল ওমান প্রবাসী। রোববার সকালে এক যুবক ওই ভাড়া বাসায় গিয়ে তার বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এসময় সানজিদা আক্তার গুরুতর আহত হন। তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে । পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সানজিদা আক্তারের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের ভাইয়ের স্ত্রী সাথী আক্তার বলেন, সকালে এক যুবক নিহত সানজিদার ভাইয়ের খোঁজ করে। পরে এক পর্যায়ে সানজিদাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। পূর্ব শত্রুতা বা পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অপরাধীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।।

​মোস্তাফিজুর রহমান জীবন রাজশাহী

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সিএনবি মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘জাফর হোমিও হল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চলছে রমরমা অপচিকিৎসা বাণিজ্য। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ডা. মো. জাফর আহামদ কোনো রকম উচ্চতর প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা ডিগ্রি ছাড়াই সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। তিনি ক্যান্সার, কিডনি পাথর, প্যারালাইসিস, কুকুরের কামড়, সাপের দংশন, বিষপান এমনকি নারীদের বিভিন্ন জটিল রোগের তথাকথিত ‘সুচিকিৎসা’র দাবি করছেন।
​অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক কোনো যোগ্যতা না থাকলেও ডা. জাফরকে এই অবৈধ কার্যক্রমে নিয়মিত সহযোগিতা করছেন স্বনামধন্য ওষুধ কোম্পানি এসিআই (ACI)-এর প্রতিনিধি (রিপ্রেজেন্টেটিভ) ফিরোজ নামের এক ব্যক্তি।
​এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে ডা. জাফর নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তার কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ডাক্তারি ডিগ্রি, বিএমডিসি (BMDC) রেজিস্ট্রেশন কিংবা হোমিওপ্যাথি বোর্ডেরও অনুমোদন নেই। কেবল স্থানীয় কিছু প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ও বংশগত পরিচয়ের ওপর ভর করেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই চিকিৎসা পেশা চালিয়ে যাচ্ছেন।
​আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—কোনো রোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশন না দিয়েই তিনি রোগীদের বিভিন্ন উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে থাকেন। এমনকি ডায়াবেটিস ও ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীকেও ‘ক্যান্সারের রোগী’ বানিয়ে অপচিকিৎসা দেওয়ার চাঞ্চল্যকর দৃশ্য ধরা পড়েছে এ প্রতিবেদকের ক্যামেরায়।
​স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভুয়া ও অপ্রশিক্ষিত চিকিৎসকদের কারণে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। সচেতন মহল অবিলম্বে এ ধরনের অবৈধ চিকিৎসালয় ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
​এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস আই এম রাজিউল করিম জানান, ভুয়া ও ডিগ্রিহীন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ও তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত অবৈধ চিকিৎসালয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁদগাঁও থানা ঘিরে অপরিকল্পিত পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামায় যানজটের দুর্ভোগ
নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী ও রোগীবাহী যানবাহন


চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি : আহমদ রেজা।


চট্টগ্রামের চাঁদগাঁও থানা সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে অপরিকল্পিত পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। সড়কের দুই পাশে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ইচ্ছেমতো পার্কিং করায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ যাত্রী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারী ও রোগীবাহী যানবাহনের চালক-যাত্রীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদগাঁও থানার পুরাতন ও নতুন ভবনের সংলগ্ন এলাকায় বাসস্ট্যান্ড থাকলেও নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা ও শৃঙ্খলাপূর্ণ যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক পরিবহন চালক সড়কের ওপর কিংবা সড়কের পাশে নিজেদের ইচ্ছেমতো গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখেন। পাশাপাশি নির্ধারিত স্থান ছাড়া যাত্রী ওঠানামা করানোর কারণে যানজট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ব্যস্ত সময়ে সড়কের দুই পাশে বাস, ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় যান চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে সামান্য যানজট ধীরে ধীরে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীবাহী যানবাহন আটকে পড়ায় জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
চাঁদগাঁও থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশেই প্রতিদিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হলেও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের উপস্থিতি ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও সড়কের ওপর যত্রতত্র পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধ হচ্ছে না।
এদিকে চাঁদগাঁও এলাকার ওপর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটক ও দর্শনার্থীদের যানবাহনও এ সড়ক ব্যবহার করে। ফলে যানজটের কারণে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নন, দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা চালু, নির্ধারিত স্থানে যাত্রী ওঠানামা নিশ্চিত, সড়কের ওপর অবৈধ পার্কিং বন্ধ এবং নিয়মিত ট্রাফিক নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে চাঁদগাঁও থানা সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি :
ভারতগামী এক যাত্রীর রেকটামে লুকিয়ে রাখা ৮২ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনা উদ্ধার করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ ঘটনায় আল মামুন (৫৫) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীকে আটক করা হয়।

আটক আল মামুন ঢাকার মাতুয়াইল ডেমরার শান্তিবাগ স্কুল রোড এলাকার মফিজুল হকের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-এ-২২৫৫৪১৫৫।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এলাকার জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এসময় ভারতগামী সন্দেহভাজন বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রী যাত্রী আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই যাত্রী সোনা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে তার আচরণ ও পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় অধিকতর নিশ্চিত হতে একটি ক্লিনিকে নিয়ে শরীরের এক্সরে পরীক্ষা করা হয়। এতে তার রেকটামে স্বর্ণসদৃশ বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে ওই যাত্রী শরীরের অভ্যন্তরে সোনা বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তার কাছ থেকে ৮২ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানায়, আটক সোনা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টম হাউস, বেনাপোলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক স্বর্ণবহনকারীকে স্বর্ণ পাচার আইনে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

শরীরের অভ্যন্তরে সোনা লুকিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের এ কৌশলের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। #

প্রেরক : মো.মনির হোসেন।
বেনাপোল প্রতিনিধি, যশোর।
তারিখ-২০/০৯/২৬
মোবা: ০১৮৩৫ ০১৯৪৩১,

ইফতিয়াজ সুমন, স্টাফ রিপোর্টার :

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬নং একাটুনা ইউনিয়ন পরিষদের সমাজসেবক শেখ নুর আলম একটি আধুনিক, উন্নত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই একাটুনা ইউনিয়নের প্রতিটা মানুষকে নিজের আপনজন হিসেবে চিনি।নিজের জন্য নয়, এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। ইউনিয়নের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। 

শেখ নুর আলম মনে করেন, দক্ষ নেতৃত্ব, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতি টা এলাকার চিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব। তিনি শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা,যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন, যুবসমাজের অগ্রগতি এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন আমার পরিবারের কাছ থেকে মানুষের পাশে থাকার শিক্ষা পেয়েছি। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে একাটুনা ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে রাস্তাঘাট মেরামত ও মসজিদ মাদ্রাসায় উন্নয়নে অল্প করে হলেও নিজেকে সম্পৃক্ত রাখছেন নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়নে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, সরকারি সুযোগ-সুবিধার সঠিক বাস্তবায়ন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণদের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন,একাটুনা ইউনিয়ন সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, সুশাসিত ও মানবিক ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার উনিশিয়া গ্রামে বাড়ির পেছনের একটি গাছ থেকে ওই কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে বাড়ির পিছনের কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় শরিফাকে দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।

শরিফা ইসলাম উনিশিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে ও কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।

শরিফা ইসলাম মেধাবী ছাত্রী ছিল বলে জানিয়েছেন তার বোন মাহমুদা খানম। তিনি বলেন,

চলতি মাসের ২৮ তারিখ শরিফার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরীক্ষায় তার প্রস্তুতি ভালো না থাকায় সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

এদিকে আত্মহত্যার পর শরিফার পড়ার টেবিলে মা-বাবার উদ্দেশ্যে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

চিরকুটে মা-বাবার উদ্দেশ্যে শরিফা ইসলাম লিখেছেন, ‘২৮ তারিখ আমার পরীক্ষা, আজ ১৮ তারিখ চলছে, এখন পর্যন্ত সিলেবাস কমপ্লিট করতে পারি নাই। পরীক্ষা দিলে আমার রেজাল্ট ভালো হবে না। আর রেজাল্ট ভালো না হলে তোমরা ও স্যার-ম্যামদের সামনে কীভাবে গিয়ে দাঁড়াবো।তাই আমি তোমাদের কষ্ট দিয়ে চলে গেলাম, আমাকে মাফ করে দিও।’

শরিফা ইসলামের আত্মহত্যার বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ওসি রিয়াদ মাহমুদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি ইউডি মামলা (অপমৃত্যু মামলা) হয়েছে। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।।

দুই দফা জানাজার নামাজ শেষে কুমিল্লার কোটবাড়ির বাগমারা গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাগমারা কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে (মসজিদের সামনে) এবং দ্বিতীয় জানাজা বাগমারা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা শেষে অপ্রতিমের বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, আমার আর নতুন করে কিছু বলার নেই, আমি কেবল আমার সন্তান হত্যার উপযুক্ত বিচার দেখতে চাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এখনো পর্যন্ত আমার পূর্ণ আস্থা আছে। তবে সামান্য একটা আইফোনের জন্য আমার ছেলেকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে—এ কথা আমার মন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছে না। আমার মাত্র ১৩ বছর বয়সি নিষ্পাপ ছেলেটা তো কোনো অপরাধ করেনি; তবে কেন তাকে এভাবে প্রাণ দিতে হলো? এই মুহূর্তে আমি শুধু ঘাতকদের কঠোর বিচার চাই।

আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে যাদের সঙ্গে গিয়েছিল, তাদের সে নিজের বন্ধু ভেবে বিশ্বাস করেছিল। তাদের কাঁধে স্নেহের হাত রেখে আমার ছেলে হাসিমুখে হাঁটতে হাঁটতে ওই পাহাড়ের দিকে গিয়েছিল। সে মনে করেছিল ওগুলো বন্ধুর ভালোবাসার হাত, কিন্তু সেই বিশ্বাসের হাতগুলোই শেষ পর্যন্ত আমার মাসুম বাচ্চাটাকে হত্যা করল!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের লাশ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসসংলগ্ন লালমাই সানন্দা পাহাড়ি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে পরিকল্পনা করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। অনুবাদসার্ভিস পান

এর আগে গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে কোটবাড়ির বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। সন্ধান না পেয়ে তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিহত অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় সনাতন ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কারাম পূজা(ভাদাই পূজা) উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক অনুদান ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়েছে। গত ১৯ ই সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুলহাপুরে এই অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং রংপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ বেলাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন শাখার আমির আব্দুস সালাম খন্দকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উক্ত ইউনিয়ন শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের কোষাধ্যক্ষ সাজেদুর রহমান সবুজসহ স্থানীয় জামায়াত ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সম্প্রীতির এই বাংলায় উৎসবের মাঝে যারা বিশৃঙ্খলা ও বিশ্রী পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। ধর্মীয় স্বাধীনতায় আঘাতকারীদের স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হারুনুর রশিদ বেলাল বলেন,জামায়াতে ইসলামী একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক যেন তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে জামায়াত সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।

বিশৃঙ্খলাকারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে হারুনুর রশিদ বেলাল বলেন ,জামায়াতে ইসলামী একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের শান্তিতে তার ধর্মীয় উৎসব পালনের অধিকার রয়েছে। আমাদের এলাকায় কারাম পূজায় কেউ যদি কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা বা সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করে,তবে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরা বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে বিশ্বাসী। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক যেন তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে জামায়াত সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।

আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় কারাম পূজা কমিটির সভাপতি শুক্রা টপ্য-এর হাতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়। এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পূজা কমিটির সেক্রেটারি শ্যামল টপ্যসহ স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সনাতন সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ। অনুদান গ্রহণকালে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ জামায়াতের এই কঠোর অবস্থান, শুভেচ্ছা ও আর্থিক সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মিলন বৈদ্য শুভ, চট্টগ্রাম (প্রতিনিধি):

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার জ্ঞান, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘সনাতনী বন্ধুমহল’-এর আয়োজনে অনলাইনভিত্তিক গীতা পাঠ কার্যক্রম ‘গীতারধ্বনি’ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার উত্তর ফতেয়াবাদ, নন্দীরহাটস্থ শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রম—চট্টগ্রাম কেন্দ্রে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকদের তথ্যমতে, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে অনলাইনভিত্তিক ‘গীতারধ্বনি’ গীতা পাঠ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ক, খ, গ ও ঘ—এই চারটি বিভাগে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় গীতাপাঠের মান, শুদ্ধতা, উপস্থাপন এবং গীতার শিক্ষার প্রতি আন্তরিকতার ভিত্তিতে প্রতিটি বিভাগ থেকে সেরা ১০ জন করে মোট ৪০ জন বিজয়ী নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

আয়োজকরা জানান, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু নতুন প্রজন্মকে গীতাপাঠে উৎসাহিত করা নয়; বরং শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার অমৃতবাণী জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ ও প্রয়োগের অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করা। সত্য, ন্যায়, কর্তব্যনিষ্ঠা, ভক্তি, জ্ঞান, আত্মসংযম, সমভাব, নির্ভয়তা, অহংকার ত্যাগ এবং সকল সৃষ্টির প্রতি মঙ্গলভাব—গীতার এসব শিক্ষা নতুন প্রজন্মের জীবনচর্চায় ছড়িয়ে দেওয়াই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

তারা আরও বলেন, গীতার আলোয় আলোকিত, মানবিক, নৈতিক ও আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলার এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। গীতার জ্ঞানকে শুধু পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তিজীবন, পরিবার ও সমাজে এর ইতিবাচক মূল্যবোধ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিএসআইআর ল্যাবরেটরি লিমিটেডের পরিচালক ড. শ্রী বরুণ কান্তি সাহা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রম (চট্টগ্রাম কেন্দ্র)-এর ট্রাস্টি শ্রী দিলীপ চক্রবর্তী, পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি শ্রী রতন দাশ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাউজান উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী অরুণ পালিত বাসু, সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুমন দাশগুপ্ত, নিউলাইফ হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক শ্রী অঞ্জন দাশ, ডাবুয়া হলদিয়া যুগল সংঘের সাধারণ সম্পাদক শ্রী লিংকন তালুকদার এবং অধীর শীল।

অনলাইনভিত্তিক ‘গীতারধ্বনি’ গীতা পাঠ প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন রাউজান প্রেস ক্লাবের শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং গীতানুধ্যায়ী ডা. সুপণ বিশ্বাস শঙ্করেশ।

এ ছাড়া বিচারকমণ্ডলীতে ছিলেন বাগীশিক হাটহাজারী পৌর সংসদের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল কান্তি ধর এবং ফটিকছড়ির বিশিষ্ট গীতাপাঠক ও সংগীতশিল্পী শ্রী বিনয় দাশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘গীতারধ্বনি’র সভাপতি আকাশ দে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাপ্পা দাশ।

এ সময় টিটু দাশ, জয় দাশ, পুজন দত্ত, পংকজ নাথ, রাজু পাল, হিরু ভট্টাচার্য, আশু নাথ, রাকেশ ঘোষ, নিশু দে, নয়ন দাশ, দীপ্ত ধর, দীঘি ঘোষসহ ‘সনাতনী বন্ধুমহল’-এর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজক ‘সনাতনী বন্ধুমহল’ জানায়, গীতার জ্ঞান ও মানবিক শিক্ষাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে আরও বিস্তৃত করার ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। অনুষ্ঠানে ৪০ জন বিজয়ীকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সকল অংশগ্রহণকারীকে গীতার আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ অনুসরণে উৎসাহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত হন। পরে উপস্থিত ভক্ত ও অতিথিদের মাঝে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার ৮ নম্বর সুফলাকাটী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম।

গণসংযোগের অংশ হিসেবে তিনি বেতীখোলা, নারায়ণপুর, কায়েমখোলা, আরিয়া গ্রুপ, কৃষ্ণনগর, কাঠবাদার, ডহরি, কালিচা, রামপুর, ময়নাপুর, সানতলা, কলাগাছি, আড়ুয়া, আড়ুয়া পশ্চিমপাড়া, পশ্চিম সারুটিয়া, পূর্ব সারুটিয়া, সুফলাকাটী, হাজির মোড় ও কাটাখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়, খোঁজখবর নেওয়া এবং নির্বাচনী বিষয়ে আলোচনা করছেন।

গণসংযোগকালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন রফিকুল ইসলাম। রাস্তাঘাট, পানি নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা ও স্থানীয় অবকাঠামোসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে স্থানীয়দের মতামত শোনেন তিনি।

এ সময় কয়েকজন সমর্থক রফিকুল ইসলামের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানান। তারা বলেন, “পুরাতন দেখেছি অনেকবার, নতুন মুখ দেখতে চাই। আমরা রফিকুল ইসলামকে চাই।” তবে এটি তাদের ব্যক্তিগত মতামত বলে জানা গেছে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, “পানি নিষ্কাশনসহ এলাকার যেসব সমস্যা রয়েছে, নির্বাচিত হলে সেগুলো সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা থাকবে, যাতে মানুষের দুর্ভোগ কমে।”

তিনি আরও বলেন, “ইউনিয়নের মসজিদ-মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। জনগণ আমাকে একবার সুযোগ দিলে তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে চাই।”

রফিকুল ইসলামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি এর আগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যুব সংগঠনের মাঝে বাল্ব ও চেয়ার বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া গণসংযোগকালে অসহায় ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল কেউ সমস্যার কথা জানালে ব্যক্তিগতভাবে সহায়তার চেষ্টা করছেন বলেও তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

তার সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রফিকুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হিসেবে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। নির্বাচন সামনে রেখে সুফলাকাটী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তার গণসংযোগ অব্যাহত রয়েছে।