October 29, 2026

অন্যান্য

সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দির থেকে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মন্দিরের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও স্থানীয়রা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে উদ্ধার হওয়া চুরি যাওয়া মালামাল মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে মন্দিরে চুরির ঘটনার পর চোরদের শনাক্ত ও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান শুরু করে আখাউড়া থানা পুলিশ। টানা প্রায় ১৭ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারসহ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা যায়, মন্দিরের পেছনের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় মন্দির থেকে স্বর্ণ ও রুপার অলংকার, ছয়টি মূর্তি এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হয়। এ ঘটনায় ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

তবে দ্রুততম সময়ে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করায় আখাউড়া থানা পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। মালামাল ফেরত পাওয়ায় মন্দির-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও ফেরত দেওয়ার জন্য আখাউড়া থানা পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর নিরাপত্তা জোরদারের প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

টানা ১৭ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশের এই তৎপরতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী।

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, রাজশাহী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ও জনসভা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফর সফল করতে নগরীর পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক সংস্কার ও জনসভাস্থল প্রস্তুতের কাজ জোরদার করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। এরই অংশ হিসেবে হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (মাদ্রাসা মাঠ) পরিদর্শন করেছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মাঠের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, দেয়াল রংকরণ, মাঠসংলগ্ন সড়ক সংস্কারসহ সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন। এ সময় জনসভার মঞ্চ নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরের সিদ্ধান্তে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আসছেন—এটি নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত আবেগ ও অনুভূতির বিষয়। তাঁকে একনজর দেখার জন্য রাজশাহীবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রাসিক প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সড়ক বিভাজকের আইল্যান্ড রংকরণ, প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার এবং নগরীর সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে বিকেল ৩টায় হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (মাদ্রাসা মাঠ) আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। এ সময় তিনি ইক্ষুচাষিদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ করবেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান ইমন, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) নিলুফার ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান এবং উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন শিবলী, কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিউল আহসান হিমেল, শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক মুঈদুর রহমান মঈদ, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মোঃ সিমান্ত তালুকদার,
সিরাজগঞ্জ,

সিরাজগঞ্জের শ্রদ্ধেয় জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম রায়গঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি উপজেলা ভূমি অফিস, বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প এবং সলঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি তাঁদের পড়াশোনার অগ্রগতি ও শিক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের মাঝে মশারি বিতরণ করেন। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জমে থাকা পানি অপসারণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এর আগে সকালে বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে অটোমেটিক হুইলচেয়ার এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ,কক্সবাজার

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ও উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) হোয়াইক্যং এলাকার একটি এবং হ্নীলা এলাকার দুটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তাঁরা।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনকারী সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পুরোহিতদের উপহার প্রদান করেন।
বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ছয়টি পূজামণ্ডপে উখিয়া ব্যাটালিয়নের সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ২২ অক্টোবর বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধের পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে বিজিবির।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যদের নিয়োজিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম এলাকার ১৮৩টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। রাজধানী ঢাকায় বিজিবির মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।
বিজিবির পক্ষ থেকে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু নজরে এলে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজিবি মনে করে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ, জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে ১০টি মশক নিধন মেশিন, ৫টি গারবেজ ট্রাক ও প্রয়োজনীয় জনবল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে একটি আবেদনপত্র তুলে দেন তিনি। আবেদনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যানবাহন ও জনবল বরাদ্দের দাবি জানানো হয়। সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল উল্লেখ করেন, পর্যাপ্ত যানবাহন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে পৌরসভার নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং মশক নিধন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরিকল্পিতভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ড্রেন, নালা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি এবং বর্জ্য নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। এ জন্য পর্যাপ্ত মশক নিধন মেশিন, গারবেজ ট্রাক ও প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা জরুরি। এমপি বুলবুল আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সচেতনতামূলক কার্যক্রম যথেষ্ট নয়; মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, পৌর কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় জরুরি ভিত্তিতে ১০টি মশক নিধন মেশিন, ৫টি গারবেজ ট্রাক ও প্রয়োজনীয় জনবল বরাদ্দের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি। দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ৮ নং চেংমারী ইউনিয়নে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী এমপি ।

এ সময় সংসদ সদস্যের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন,যুব বিভাগের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ।

জানা গেছে, গত ১৪ই অক্টোবর রাতে চেংমারী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মাইয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের বসতবাড়িতে এক আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট এর মাধ্যমে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই আগুনে হাফিজুর রহমানের ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে পরিবারটির আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই হৃদয়বিদারক খবর পেয়ে পরদিন ১৫ই অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পুড়ে যাওয়া বাড়িটি পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী। তিনি সরেজমিনে ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেন এবং সর্বস্ব হারানো অসহায় হাফিজুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে গভীর সমবেদনা জানান।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মহোদয়কে প্রয়োজনীয় সরকারি বরাদ্দের অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দেন,যেন পরিবারটি দ্রুত নতুন ঘর নির্মাণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।

বিপদের এই মুহূর্তে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে পাশে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকাবাসী। দুর্যোগের পরদিনই দ্রুত সাড়া দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক উদ্যোগ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুর উপজেলার ডহরী ৮ ব্যান্ড গেটে কচুরিপানার স্তূপ জমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কচুরিপানা অপসারণে স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী কয়েক দিন ধরে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পর্যাপ্ত অর্থের অভাবে পুরোপুরি সফল হতে পারছেন না তাঁরা। ফলে চলতি মৌসুমে বিলে ধান চাষ করা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গেটের কাছে কচুরিপানা জমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা নিজস্ব অর্থায়ন এবং ঘেরমালিকদের সহযোগিতায় কচুরিপানা সরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। পানির স্রোতে কচুরিপানা ভেসে যাওয়া ঠেকাতে বাঁশের বেরিকেটও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই বেরিকেট ভেঙে কচুরিপানা আবারও ভেসে চলে যাওয়ায় তাঁদের প্রচেষ্টা বারবার ব্যাহত হচ্ছে। এরপরও হাল না ছেড়ে আজও কচুরিপানা অপসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
এ কাজে রকিবুল হাসান ডালিম, অলিয়ার রহমান সরদার, রজব সানা, মশিউর রহমান, মিজানুর রহমান, জিয়াউর রহমান সরদার ও ইকরাম সরদারসহ স্থানীয় আরও অনেকে অংশ নিচ্ছেন। নিজেদের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালালেও প্রয়োজনীয় অর্থ ও জনবলের সীমাবদ্ধতার কারণে কাজটি সম্পূর্ণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় উদ্যোগে কাজ চালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা জানান, নিজস্ব অর্থায়ন ও ঘেরমালিকদের সহযোগিতায় কচুরিপানা সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এত বড় কাজ একা তাঁদের পক্ষে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা পাওয়া গেলে কচুরিপানা অপসারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
এলাকাবাসীর আরও দাবি, খালে থাকা পাটা অপসারণ করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, কচুরিপানা পরিষ্কারের পাশাপাশি খালের পাটা সরানো হলে পানির স্বাভাবিক স্রোত বাড়বে এবং পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। এতে বিলে জমে থাকা পানি কমানো ও কৃষিকাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা মিলতে পারে।
২৭ বিলের কৃষক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, উপজেলা প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কচুরিপানা অপসারণ এবং খালের পাটা সরানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তাঁদের আশা, আগামীকাল থেকেই কচুরিপানা ও পাটা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং তাঁরা ধান চাষের প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
কৃষিনির্ভর ২৭ বিলের মানুষের জীবিকা অনেকটাই কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। তাই সময়মতো পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করা তাঁদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে কৃষকদের ধান চাষের সুযোগ তৈরি হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর। এখন তাঁদের একটাই দাবি, ২৭ বিলের কৃষি ও কৃষকদের স্বার্থে কচুরিপানা অপসারণ এবং খালের পাটা সরাতে উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসুক।
ছোট করে দাও

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, রাজশাহী

রাজশাহী ও নাটোর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বারনই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, দূষণ রোধ এবং অবৈধ দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে নেওয়া প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় ‘রাজশাহী ও নাটোর জেলার অন্তর্গত বারনই নদী পুনরুজ্জীবিত, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নদী এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বারনই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, নদীদূষণ বন্ধ করা এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। নদী পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে প্রকল্পের কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

আরও উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাজশাহীর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সরকার এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মেহেদী হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মোঃ কামাল হোসেন প্রধান, জেলা প্রতিনিধি, নরসিংদী।

নরসিংদীর শিবপুরে নিজ পিতা বাসেদ চৌধুরীকে হত্যার অভিযোগে শাকিল চৌধুরী নামে এক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় শিবপুর মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আরিফুর রহমানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবপুর মডেল থানার ভরতের কান্দি গ্রামের পূর্বপাড়ায় নিজ বাড়িতে বাসেদ চৌধুরীকে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শাকিল চৌধুরী পালিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে শিবপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সার্কেল আবু রায়হান ও শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে গাজীপুর থেকে শাকিল চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন এএসআই আরিফুর রহমান।

এদিকে, নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এএসআই আরিফুর রহমানের এ সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল-ফারুকের সভাপতিত্বে জেলা পুলিশ সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশ নেন।

শাকিল চৌধুরীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এএসআই আরিফুর রহমানকে কর্মমূল্যায়নের স্বীকৃতিস্বরূপ নগদ অর্থ, বিশেষ সম্মাননা ও সনদ প্রদান করেন পুলিশ সুপার।

পুলিশের এ উদ্যোগকে দায়িত্ব পালন ও অপরাধ দমনে পেশাদারত্বের স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার বিস্তারিত, মামলার অগ্রগতি এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পূর্বের কোনো অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট নথি ও পুলিশের বক্তব্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ‘কোলাবোরেটিভ অ্যাপ্রোচেস টু ওবিই ইমপ্লিমেন্টেশন: স্ট্রেনদ্যানিং ফ্যাকাল্টি মেম্বার্স স্কিলস থ্রো ইনস্টিটিউশনাল সাপোর্ট ফর একাডেমিক এক্সিলেন্স’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের আয়োজনে একাডেমিক ভবনের ৫২০ নম্বর কক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় রিসোর্স পারসন ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান।

এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষতা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নিয়মিতভাবে আয়োজন করা জরুরি। কেননা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পথে দক্ষ শিক্ষকরাই পাথেয় হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন পরিচালিত হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন এন্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রজেক্টের সহায়তায় চলা এই কর্মশালায় ওবিই বাস্তবায়ন, কারিকুলাম নকশা, শিক্ষণ-পদ্ধতি, মূল্যায়ন কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

কর্মশালায় সেশন পরিচালনা করেন মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি ড. মো. হাফিজুর রহমান।