October 29, 2026

অন্যান্য

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সার্বক্ষণিক টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের কর্মকারপাড়া শিবতলায় চরজোতপ্রতাপ দুর্গামাতা ঠাকুরানী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার তরিকুল ইসলাম। প্রেস ব্রিফিংয়ে কোম্পানি কমান্ডার বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এসআরবি-৫-এর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ উপলক্ষে সার্বক্ষণিক টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় অবমাননাকর কোনো পোস্ট নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্গাপূজা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চরজোতপ্রতাপ দুর্গামাতা ঠাকুরানী মন্দিরের সভাপতি শ্রী রনি নন্দী ও সাধারণ সম্পাদক রাধাবল্লভ কর্মকার। এ ছাড়া এসআরবি-৫, সিপিসি-১-এর বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্য, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জন অংশ নেন। প্রেস ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে কোম্পানি কমান্ডার উপস্থিত সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।

সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

কোথাও সোনালি আঁশ পাটের নান্দনিক ব্যবহার, কোথাও টেরাকোটায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পৌরাণিক কাহিনি। আবার কোনো মণ্ডপে স্থান পেয়েছে তালপাতার পাখা ও গাজীর পটের মতো বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকজ শিল্প। দেবী দুর্গার আরাধনার পাশাপাশি বাঙালির শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন এবারের শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপগুলোতে এনেছে ভিন্ন মাত্রা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে এবার প্রতিমার সৌন্দর্যের পাশাপাশি মণ্ডপসজ্জায় ফুটে উঠেছে শিল্পীদের সৃজনশীলতা ও নান্দনিক চিন্তার প্রতিফলন। বিশেষ করে জেলা সদরের কয়েকটি মণ্ডপে ঐতিহ্যবাহী শিল্পমাধ্যমের ব্যবহার দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

পৌর এলাকার রামঠাকুর ক্লাবের মণ্ডপে দেবী দুর্গার চিরচেনা রূপের পেছনে টেরাকোটার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মহিষাসুর বধের পৌরাণিক কাহিনি। মাটির ফলকে নিপুণ কারুকাজে তুলে ধরা হয়েছে পুরাণের আখ্যান। এতে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কালীবাড়ির মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সোনালি আঁশ পাট। পরিচিত এই প্রাকৃতিক উপকরণকে শিল্পের মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপন করে বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন আয়োজকেরা।
এ ছাড়া বিভিন্ন মণ্ডপে স্থান পেয়েছে গ্রামবাংলার লোকজ শিল্প। তালপাতার পাখা ও গাজীর পটের মতো ঐতিহ্যবাহী শিল্পমাধ্যমের ব্যবহার মণ্ডপসজ্জায় যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা। ধর্মীয় উৎসবের আবহের সঙ্গে বাংলার লোকজ সংস্কৃতির এমন মেলবন্ধন দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সন্দিপন পাল বাবন বলেন, “পৌর এলাকায় এবারের পূজার সাজসজ্জায় ভিন্নতা এসেছে। বিভিন্ন মণ্ডপে নানা ধরনের থিম নিয়ে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এক কথায়, অসাধারণ সব আয়োজন।”

রামঠাকুর আশ্রমের শৈল্পিক কাজের সঙ্গে যুক্ত চিত্রশিল্পী দীপ্ত মোদক বলেন, “আমরা টেরাকোটার মাধ্যমে অসুর বধের কাহিনি ফুটিয়ে তুলেছি। পুরো কাজটিই মাটির তৈরি। আশা করছি, দর্শনার্থীদের কাছে আমাদের এই আয়োজন ভালো লাগবে।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি সঞ্জীব সাহা বাপ্পী জানান, এ বছর জেলায় মোট ৬২৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫০টি বেশি। জেলা সদরের বেশ কয়েকটি মণ্ডপে এবার নতুনত্ব ও ব্যতিক্রমী সাজসজ্জা দেখা যাচ্ছে।

এদিকে, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। পাশাপাশি জেলা সদরের একাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।

সব মিলিয়ে, এবারের দুর্গাপূজায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মণ্ডপগুলোতে ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যময় উপস্থাপন উৎসবকে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি মণ্ডপসজ্জার শৈল্পিক নিদর্শন দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরগোবরা গ্রামে ইজিবাইকের চার্জার খুলতে গিয়ে বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে আলামিন কাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে গোপালগঞ্জ শহরতলীর চরগোবরা গ্রামের নিজ বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আলামিন কাজী চর গোবরা গ্রামের বেলায়েত কাজীর ছেলে।

​হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে নিজ বাড়িতে ইজিবাইকের চার্জ দেওয়া শেষে চার্জার খুলতে যান আলামিন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যূৎপৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারুক আহমেদ তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও ঝুঁকিতে থাকা অসহায়-দুঃস্থ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শতাধিক পরিবারের মাঝে মশারি বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ। রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মশারি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, ডেঙ্গু বর্তমানে একটি মারাত্মক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়; এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষেরা মশারি ব্যবহারের অভাবে ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে থাকেন। জেলা পরিষদের এ উদ্যোগ তাঁদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের পাশে দাঁড়ানো জেলা পরিষদের অন্যতম দায়িত্ব। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান। এতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। মশারি পেয়ে উপকারভোগীরা জেলা পরিষদের এ মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অলি মাস্টারের পুরো বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে অলি মাস্টারের বাড়িতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো বাড়ি পুড়ে যায়। এতে ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের স্থান থেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার হওয়ায় কর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহজালাল বলেন, আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, পুড়ে যাওয়া বাড়িটির চারপাশে আরও অনেক বসতবাড়ি থাকলেও সেগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি। এতে বড় ধরনের আরও ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে আশপাশের বাড়িঘর। এ জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।

হ্নীলা-হোয়াইক্যংয়ের মাঝামাঝি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হোয়াইক্যং ও হ্নীলা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে সেবা পেতে বিলম্ব হতে পারে।

এ অবস্থায় হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের মতে, ওই এলাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হলে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হবে এবং জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাবে।

অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। আগুনে বসতবাড়ি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

১৭ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যার পর সরকারী কলেজের অদূরে গোলাপগঞ্জ মোড়ে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মাদক নিয়ন্ত্রনসহ নির্মূলে জনসচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাদক বিরোধী গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পৌর বিএনপির সভাপতি আমিরুল বাহারের সভাপতিত্বে বীরগঞ্জ পৌর শহরের কলেজ মোড়ে গণসমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন দিনাজপুর-১ বীরগঞ্জ-কাহারোল আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু_এমপি।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম,
উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক ও সুজালপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শওকত জুলিয়াস জুয়েল,
যুবদলের সদস্য সচিব মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তানভীর চৌধুরী,
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নমিরুল ইসলাম চৌধুরী সেনা,
কৃষক দলের সভাপতি ফজলে আলম শাহীন, মোকাররম হোসেন চৌধুরী পলাশ,

ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রিয় ব্যক্তিত্ব শাজাহান সিরাজ শিপন।

যুবনেতা আবু সাঈদসহ স্থানীয় মাদক বিরোধী নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুব বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান।
উপজেলা, পৌর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সমাবেশে অংশ নেন।

বক্তাগণ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন মাদক সেবনকারী ও ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না, এরা সমাজ ধ্বংসকারী, যে কোন মূল্যে এদেরকে প্রতিরোধ করা হবে, বীরগঞ্জে মাদক নিয়ন্ত্রণ সহ চিরতরে নির্মূল করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) গাজীপুর মহানগরের মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমানের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচিতে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পানির আধার নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনাবাড়ী মেট্রো থানা শাখার আমির ডা. মো. কবির হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ নাজমুল হোসেন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল আলিমসহ স্থানীয় জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশী ও এলাকার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জে মোটর সাইকেল ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে হাত হারালেন বসুন্ধরা গ্রুপের মার্কেটিং বিভাগে বিক্রয় প্রতিনিধি হাসিবুর মোল্লা (৩০)।

তিনি জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ধলগ্রামের হোসেন আলী মোল্লার ছেলে। তাঁর ডান হাতটি শরীর থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সংকটজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা রেফার করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ শহরে থেকে বিক্রয় প্রতিনিধি হাসিবুর মোল্লা মোটর সাইকেলে করে কোটালীপাড়া যাচ্ছিলেন ।

গোপালগঞ্জ-কোটালীপাড়া সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতি নামকস্থানে বিপরিত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে হাসিবুরের ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

কর্তব্যরত চিকিতসক ডাঃ সাব্বির হোসেন বলেন, এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপোতালে নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:১৭ অক্টোবর শনিবার সকালে দিনাপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু_এমপি
সরকারী সিদ্ধান্তে সারা দেশের ন্যায় বীরগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় সংসদ সদস্যের অফিস “পরিদর্শন কক্ষ” উদ্বোধন শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জগদল হাটপুকুর আশ্রয়ন প্রকল্পে বৃক্ষরোপন করেছেন।

বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমা খাতুনের আয়োজনে ও সভাপতিত্বে নতুনভাবে সজ্জিত অফিস “পরিদর্শন কক্ষ” উদ্বোধন করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়, উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মত বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হলো।

সুচিন্তিত মতামত ও সঠিক পরিকল্পনায় গৃহীত হবে বিভিন্ন প্রকল্প।

জনতার জনপ্রিয় এমপি আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু এখন থেকে এই অফিসেই তাঁর দাপ্তরিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন।

গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজসহ সকল বিষয় পরামর্শ ও পরিকল্পনা গ্রহনের নির্ধারিত অফিস হচ্ছে “পরিদর্শন কক্ষ”।

প্রথমে ফিতা কেটে ও পরে বিশেষ মোনাজাতের মধ্যো দিয়ে পরিদর্শন কক্ষের যাত্রা শুরু হলো। বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান অফিসার-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন.

কর্মসূচি গুলোতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক, সাবেক ভিপি, ইটভাটা মালিক সমিতি সভাপতি রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু।

পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমিরুল বাহার, সাধারণ সম্পাদক নমিরুল ইসলাম চৌধুরী সেনা।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শওকত জুলিয়াস জুয়েল.

অন্যতম নির্বাহী সদস্য পৌর মেয়র প্রার্থী বাবু সুভাষ দাস.

সে সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মরিচা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের.

যুবদলের সদস্য সচিব মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তানভীর চৌধুরী.

ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রিয় নেতৃত্ব শাহজাহান সিরাজ শিপন. মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস হোসেন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকসহ ১১ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৩৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৮০ জনে। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ জন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রকাশিত দৈনিক ডেঙ্গু প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এর মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ৩৫ জন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন এবং গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ভর্তি হয়েছেন। শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হননি। একই সময়ে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ১১২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫৯ জন পুরুষ ও ৫৩ জন নারী। হাসপাতালভিত্তিক হিসাবে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ৭৭ জন, গোমস্তাপুরে ১৫ জন, শিবগঞ্জে ৮ জন, ভোলাহাটে ৭ জন এবং নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৮ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার্ড করা হয়েছে একজনকে। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হচ্ছে।