October 29, 2026

অন্যান্য

মোহাম্মদ সবুর শেখ, ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার ফুলতলায় বিভিন্ন প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লাইসেন্সসহ বৈধ কাগজপত্র যাচাইয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে একটি প্রতিষ্ঠানের বৈধ লাইসেন্স না থাকায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফুলতলা উপজেলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফুলতলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক আহমেদ এবং সহকারী সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল্লাহ আরাফাত।
অভিযানকালে ফুলতলার শতাব্দী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বৈধ লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে অভিযান চলাকালে ইউএফএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ পাওয়া যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ অভিযানের সময় গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, এ গফুর মেমোরিয়াল হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ আজকের অভিযানে যাচাই বা নিষ্পত্তি করা হয়নি। অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সঠিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, বুধবারের অভিযানটি মূলত প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর লাইসেন্স ও অনুমোদন যাচাইকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে আলাদাভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম বন্ধে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু কাগজপত্র যাচাই নয়—স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর চিকিৎসাসেবার মান, অনুমোদন ও রোগীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও নিয়মিত তদারকির আওতায় আনা হোক।

এ আর আল মামুন, স্টাফ রিপোর্টার।

গাজীপুর মহানগরের গাছা মেট্রো থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন নিজ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়ে মাদক নির্মূলে চলমান সরকারি উদ্যোগের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন।
কামাল উদ্দিন বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। মাদকের বিরুদ্ধে নিজের আত্মীয়-স্বজনসহ কারও ক্ষেত্রেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়।
তিনি আরও বলেন, একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে।
মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি আফজাল মিয়া

বিশ্বনাথে দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের উদ্যোগে ও হাসপাতালের ফাউন্ডার মেম্বার, যুক্তরাজ্যের রাজপরিবার কর্তৃক ডেপুটি ল্যাফটেনেন্ট খেতাব প্রাপ্ত প্রবাসী কমিউনিটি নেতা মাকরাম আলী আফরোজের অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হতদরিদ্রসহ বিভিন্ন শ্রেণীর প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে নির্মাণাধীন দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালে উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু, হৃদরোগ,মেডিসিন, ডায়াবেটিস, এলার্জি, গাইনিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা প্রদান করা হয়। দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের উদ্যোগে নিজ এলাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পেয়ে খুশি সেবা গ্রহনকারীরা।

দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডাক্তার শানুর আলী মামুনের সভাপতিত্বে মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেটের সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. নাসির উদ্দিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেটের সিভিল সার্জন বলেন, হাসপাতালের নাম শুনে খুব ভাল লেগেছে। আমি দাওয়াত পেয়ে বলেছি হাসপাতালে যাব। প্রত্যন্ত অঞ্চলে হাসপাতাল হয় এটা কিন্তু আপানাদের জন্য গর্বের বিষয়। এখানে যারা ভূমি দাতা ও অন্যান্য দানশীল ব্যক্তিরা আছেন আমি সবাইকে বলব এখানে একটি হাসপাতাল হলে এটার মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। গবীর-অসহায় মানুষেরা চিকিৎসা সেবা পাবে। আমার স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। আমি চাই এটা জনগণের স্বাস্থ্য সেবার আওতায় আসুক।
দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের বিশ^নাথ কো-অর্ডিনেটর, সাংবাদিক তজম্মুল আলী রাজু’র পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ^নাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেম, প্রধান বক্তা বক্তব্য রাখেন হসপিটালের বাংলাদেশ কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর, বিশিষ্ঠ চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, ওয়ান পাউন্ড হসপিটালের সাবেক ট্রাস্টি ও ফাউন্ডার মেম্বার শেখ হারুনুর রশীদ, হাসপাতালের পেট্রন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সুলেমান খান, ফাউন্ডার মেম্বার রফিক মিয়া, হসপিটালের স্থানীয় উপদেষ্ঠা ও বিশ^নাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, যুক্তরাজ্য প্রবাসী লাকি মিয়া, রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব, সন্ধানী ডায়াগনস্টির সেন্টারের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবু নাছের, সমাজসেবক আসাদুজামান নূর আসাদ, রুমেল আলী, দিলোয়ার হোসেন সজিব, আব্দুস শহিদ, আব্দুল হালিম শিকদার, আব্দুল মালিক শিকদার, বিআরবি ক্যাবলের ডিজিএম খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডাক্তার শানুর আলী মামুন তাঁর বক্তব্যে বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে হসপিটাল চালু না হওয়া পর্যন্ত এরকম মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করে এই প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য সেবায় এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, হসপিটালের অফিস সেক্রেটারি ও হিসাব রক্ষক গোলাম মোস্তফা, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসার ওহিদুর রহমান সাগরসহ বিশ^নাথ থানা পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাক্তার জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, প্রফেসর ডাক্তার আব্দুল মজিদ মিয়া, জি এম আনোয়ার হোসাইন, প্রফেসর ডাক্তার ফাতেমা বেগম মিলি, সাইফুর রহমান রিপন, মাহমুদুল আমীন, ডাক্তার এম. শানুর আলী মামুন, ডাক্তার এম এ কুদ্দুছ চৌধুরী, ফারহানা বেগম সুমা।

মোঃ আফজাল মিয়।
সিলেট বিশ্বনাথ উপজেলা সংবাদদাতা
বিশ্বনাথ পৌরসভা
মোবাঃ ০১৭২৬৬৬০০০০।

মোঃ মুক্তাদির হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে গাজীপুরের কালীগঞ্জে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, মানবতা ও ভালোবাসার কবি। তাঁর সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্মে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা রয়েছে। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ সম্পর্কে জানাতে হবে। সমাজ থেকে বৈষম্য, অন্যায় ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে নজরুলের মানবতাবাদী চেতনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নজরুলের সাহিত্যচর্চা ও তাঁর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালীগঞ্জের সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাষ্টার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার। সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মার্টিন পেরেরা ও আমেনা খাতুনের যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান খান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার উজ্জল পেরেরা সিএসসি প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম কামরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও চেতনার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তিনি অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর লেখনীর মাধ্যমে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মানুষের মধ্যে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে দিয়েছেন। নজরুলের জীবন ও সাহিত্য আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কবিতা ও গান শুধু আনন্দ দেয় না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে শিক্ষা দেয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক,

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অন্যতম সহযোগী সংগঠন জিয়া মঞ্চ’র ৩৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালী, শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাউজান তাপবিদ্যুৎ গেইট এলাকা থেকে আনন্দ র‌্যালী শুরু হয়ে কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাঙ্গুনিয়াস্থ জিয়া নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরোত্তম এর প্রথম সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সমাধিস্থলে জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি অহিদুল ইসলাম চৌধুরী শরীফের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় তথ্য-গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় টীম প্রধান ওয়াকিল আহমদ, প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউসুফ চৌধুরী। সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় সহ মানবাধিকার সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা খোরশেদ আলম ফারুকী, চট্টগ্রাম মহানগর জিয়া মঞ্চের আহবায়ক অধ্যাপক খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক মো. শাহ আলম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ বাবলা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব এডভোকেট ইস্কান্দার আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ১নং সহসভাপতি হাজী ওসমান গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এজলাস, সহসভাপতি মো. ইসমাঈল হোসেন, সেকান্দর, নুর মোহাম্মদ, যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট রিনা আক্তার পায়েল, সাহেদ আকবর, মহিন উদ্দিন, মো. ফারুক, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু বকর ছিদ্দিক, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সভাপতি আব্দুল আলিম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম সবুজ, আনোয়ারা উপজেলার আহবায়ক এম.এম.শিবলী নুমানী,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মনির উদ্দীন চৌধুরী সেন্টু,রাউজান উপজেলার সভাপতি মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার খান জয়, ফটিকছড়ি উপজেলার সভাপতি অহিদুল আলম, নাজিরহাট পৌরসভার আহবায়ক মো. এয়াকুব, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার আহবায়ক রফিকুল কাদের, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান টিপু, সীতাকুণ্ড উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক ফুল মিয়া প্ চক্রান্ত ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে জিয়া মঞ্চের নেতাকর্মীদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হতে হবে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের চিনি উৎপাদন ও মিল রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী ইন-হাউজ প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে।

সকাল ৮টায় অএ মিলের প্রশিক্ষণ ভবনে কারখানার স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়

ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী
আ. ন. ম.
জোবায়ের
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিলের মহা-ব্যবস্থাপক (কারখানা)
মোঃ আলমগীর হোসেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিতছিলেন
মহা-ব্যবস্থাপক (ইক্ষু কৃষি) গৌতম কুমার,
মহা-ব্যবস্থাপক (অর্থ) জাহিদুর ইসলাম, মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সাইফুল ইসলাম,
যন্ত্র প্রকৌশলী (ডিসি এমি) আব্দুল আলীম, সহ
মোচিক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাহার আলী ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
ও
মিলের প্রশিক্ষণাথী শ্রমিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী দুই দিন ধরে কারখানার সার্বিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, চিনি উৎপাদন ত্বরান্বিতকরণ এবং যন্ত্রপাতির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের বিস্তারিত ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রকৌশলী সাধন কুমার মন্ডল।

ম.ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

নদী বাঁচাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের দাবি—দখল-দূষণ বন্ধ ও জেলেদের বিকল্প জীবিকার আহ্বান

মোংলা নদীর পাড়ে শিশুরা ছিটিয়েছে ফুল, ভাসিয়েছে রঙিন কাগজের নৌকা। নদীর প্রতি ভালোবাসা আর নদী রক্ষার বার্তা নিয়ে এভাবেই ব্যতিক্রমী আয়োজনে বিশ্ব নদী দিবস পালন করা হয়েছে বাগেরহাটের মোংলায়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার নারিকেলতলা নদীপাড়ে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, উত্তরণ ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল নদী ও জেলেজীবন সুরক্ষার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান, আলোচনা সভা, র‍্যালি, মানববন্ধন, নদীতে গণগোসল, সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা।

এবারের বিশ্ব নদী দিবসের প্রতিপাদ্য—‘বন বাঁচলে নদী বাঁচবে, নদী বাঁচলে পানি বাঁচবে, পানি বাঁচলে জীবন বাঁচবে।’

সকাল সাড়ে ১০টায় ‘নদী বাঁচাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধরা কেন্দ্রীয় নেতা ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ।

সভায় উত্তরণের ফিসনেট প্রকল্পের খুলনা অঞ্চলের অ্যাডভোকেসি অফিসার মো. মিজানুর রহমান, পরিবেশকর্মী রাফিয়া জাহান মিশু, জেলে সমিতির নেতা বিদ্যুৎ মণ্ডল ও আব্দুর রশিদ হাওলাদার, উত্তরণের মনিটরিং অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন, মোংলা এরিয়া ম্যানেজার মো. মোখলেছুর রহমান, ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের সোহেল রানা ও মোহাম্মদ শাহীন খলিফাসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

সভাপতির বক্তব্যে মো. নূর আলম শেখ বলেন, ‘নদী-প্রকৃতি, জল, জঙ্গল ও জমির উর্বরতা রক্ষায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর জরুরি।’

তিনি বলেন, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ছাই, গরম পানি ও কয়লা-সংশ্লিষ্ট দূষণ পশুর নদীসহ সুন্দরবনসংলগ্ন নদী-খালের জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। নদী ও জেলেজীবন, মৎস্যসম্পদ এবং জলজ প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে।

মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আদালত নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। নদী রক্ষায় দখল ও দূষণ বন্ধ করতে হবে।’ পাশাপাশি অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধের উদ্যোগের সঙ্গে জেলেদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থাও করার দাবি জানান তিনি।

জেলে সমিতির নেতা আব্দুর রশিদ বলেন, শিল্প ও কয়লা দূষণ থেকে পশুর নদীসহ সুন্দরবন অঞ্চলের নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষা করতে হবে।

পরিবেশকর্মী রাফিয়া জাহান মিশু বলেন, ‘নদীপাড়ের মানুষ ভালো থাকলে নদীও ভালো থাকবে। নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।’

আলোচনা সভা ও মানববন্ধনের আগে শিশুরা নদীর প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে মোংলা নদীতে ফুল ছিটিয়ে দেয়। এরপর নদীর গুরুত্ব তুলে ধরে রঙিন কাগজের প্রতীকী নৌকা ভাসানো হয়। পরে নদীতে গণগোসল, সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় নদী ও জেলেজীবন সুরক্ষার দাবিতে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

লুৎফর সিকদার (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামির জামিন ও মুক্তির দাবিতে কয়েকজন আলেমের আদালতে উপস্থিত হওয়ার ঘটনায় এবং মামলা আপস নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার বাদী কারী মো. মহিউদ্দিন।

এ ঘটনায় আসামির মুক্তির বিষয়ে নিজের কোনো সমর্থন বা সহযোগিতা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার ভাটিয়াপাড়া শরীফ মার্কেটে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কারী মো. মহিউদ্দিন বলেন, কাশিয়ানীর পোনা গ্রামের জগলুল শাহিন নামে এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে তৌহিদী জনতা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করে কাশিয়ানী থানা পুলিশ। পরে আমি বাদী হয়ে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। বর্তমান মামলার আসামি কারাগারে রয়েছেন।

মহিউদ্দিনের দাবি, আসামিকে জামিনে মুক্ত করার বিষয়ে কয়েকজন আলেম আদালতে উপস্থিত হয়ে তার পক্ষে কথা বলেছেন এবং ইসলামি জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আপনারা যদি আসামিকে মুক্ত করার পক্ষে থাকেন, তাহলে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে মামলা করালেন কেন? মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার তৌহিদী জনতার কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করলাম কেন?

মামলার বাদী আরও বলেন, আমাকে অবহিত না করেই আসামির মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে আমি এলাকায় নেই বলে দাবি করা হয়েছে। আমি এলাকায় আছি, ওইদিনও এলাকায় ছিলাম। নবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন বা মুক্তির বিষয়ে আমার কোনো সমর্থন কিংবা সহযোগিতা নেই এবং থাকবে না।

তিনি আরও দাবি করেন, একটি মহল নিজেদের স্বার্থ ও ফায়দা হাসিলের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। তার নামে বা তার পক্ষ থেকে কোনো আপস বা সমঝোতার কথা প্রচার করা হলে তা সঠিক নয় বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তৌহিদী জনতার প্রতি বিষয়টি পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানান মামলার বাদী। একই সঙ্গে মামলার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ওলামা পরিষদ কাশিয়ানীর সভাপতি মুফতি শিহাব উদ্দিন কাসেমী, সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরান হোসাইন আফসারী, মুফতি মাজারুল ইসলাম, মুফতি মাহমুদুল হাসান সাদ্দাম, হাফেজ তরিকুল ইসলাম, হাফেজ জাকির হোসেন, কারী ইলিয়াচুর রহমান, হাফেজ কামরুলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি :- সারাদেশে নিষিদ্ধঘোষিত দল আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে যশোরের বেনাপোলে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মিছিলটি বেনাপোলের ঐতিহাসিক বলফিল্ড ময়দান থেকে শুরু হয়ে বেনাপোল বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে গিয়ে পুনরায় বলফিল্ডে ফিরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভে শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলসহ অঙ্গ-সংগঠনের সহস্রাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন। মিছিলজুড়ে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দিতে দেখা যায়।

​বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্বে দেন শার্শা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক- মো. মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম, সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ, বেনাপোল পৌর যুবদলের আহ্বায়ক- মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, সদস্য সচিব- রায়হানুজ্জামান দিপু, শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক- শরিফুল ইসলাম চয়ন, সদস্য সচিব- সবুজ হোসেন খান, বেনাপোল ছাত্রদলের আহ্বায়ক- মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ, সদস্য সচিব- ইশতিয়াক আহম্মেদ শাওন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক- শহিদুল ইসলাম শহীদ ও সদস্য সচিব- ওমর ফারুখ সহ স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।

​মিছিল শেষে বলফিল্ডে অনুষ্ঠিত সমাবেশে যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ বক্তব্য রাখেন। ​

বক্তব্যে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সারাদেশে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে।

এদের যেকোনো ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্য প্রতিহত করতে রাজপথে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে। গণতন্ত্র ও শান্তির স্বার্থে রাজপথের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

​সমাবেশে অন্যান্য বক্তারাও আওয়ামী লীগের দেশবিরোধী চক্রান্ত প্রতিহত করতে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।#
প্রেরক:-
মো,মনির হোসেন।
বেনাপোল প্রতিনিধি যশোর।
তারিখ:-২৬/০৯/২৬
মোবা:-০১৮৩৫ ০১৯৪৩১,

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি : আহমদ রেজা

আনোয়ারা উপজেলার ১ নম্বর বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নারী, পুরুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে সমতাভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য মো. মামুন খান বলেন, একটি অংশগ্রহণমূলক ও সমতাভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মতামত, অধিকার ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নারীদের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থানীয় সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

সভায় বক্তারা নারী, পুরুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।

আলোচনা সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, নারী প্রতিনিধি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।