October 29, 2026

অন্যান্য

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় একটি সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস। গ্যাস বা ম্যাচ লাইট ধরিয়ে দিলেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠছে আগুন। এই সাবমারসিবল পাম্পটিকে নিয়ে এলাকার মানুষদের মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।তারা বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে এটি পরীক্ষা করার দাবী জানিয়েছেন।

সরেজমিনে জানাগেছে , উপজেলার বান্ধবাড়ি ইউনিয়নের ভাসাই বাজারে বিভিন্ন মাছের গাড়িতে পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য কামরুল শেখ নামে এক হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী এক বছর আগে একটি সাবমারসিবল পাম্প বসান।
গত এক সপ্তাহ ধরে সাবমারসিবল পাম্পটিতে পানি কম ওঠায় কৌতুহলবশত কামরুল শেখ বুধবার দিবাগত রাতে (২৮ অক্টোবর) পাইপের মাথায় গ্যাস লাইট ধরিয়ে দিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।এ ঘটনা চারিদিক ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা কামরুল শেখের দোকানের সামনে এসে ভিড় জমাতে থাকেন।

আজ বৃহস্পতিবার ভাসাই বাজারে কামরুলের দোকানের সামনে গিয়ে উৎসুক মানুষদের ভিড় দেখা গেছে।তাদের অনুরোধে কামরুল শেখকে মাঝে মাঝেই সাবমারসিবল পাম্পটি চালিয়ে গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেখাতে হচ্ছে।

উৎসুক এসব মানুষ দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষজ্ঞ টিম এনে এটি পরীক্ষা করে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী কামরুল শেখ ভাসাই বাজার এলাকার রব শেখের ছেলে।

তিনি বলেন,বিভিন্ন মাছের গাড়িতে পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য গত এক বছর আগে ২৮০ ফুট গভীরের এই সাপমারসিবল পাম্পটি আমি বসিয়েছি। গত এক সপ্তাহ ধরে পানি খুব কম ওঠায় গতকাল বুধবার রাতে আমি পাম্পটির পাইপের মাথায় গ্যাস লাইট ধরিয়ে দিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার উৎসুক মানুষ জন আমার দোকানের সামনে এসে ভিড় জমান।

এলাকার স্থানীয় লোকজন বলেন, রাতে খবর পেয়ে আমরা সকালে এখানে দেখতে এসেছি। এসে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। আমরা চাই একটি বিশেষজ্ঞ টিম এসে এটি পরীক্ষা করে দেখুক। সত্যিই এখানে মাটির নিচে গ্যাস আছে কিনা। সত্যিই এখানে যদি গ্যাস পাওয়া যায় তাহলে সেটি আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন বলেন , বিষয়টি আমি জানার পরে ওই এলাকার তহশীলদেরকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম।তার তথ্যানুযায়ী প্রাথমিকভাবে আমি এটির সত্যতা পেয়েছি।আগামী দিন শুক্রবার আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

ধামইরহাট ( নওগাঁ) প্রতিনিধি :

নওগাঁর ধামইরহাটে “বৃক্ষ দিয়ে সাজায় দেশ,”সবার আগে বাংলাদেশ,। এই স্লোগানকে সামনে রেখে, ধামইরহাট আমাইতাডা পল্লী শ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে খোচাসহ ৩০০ শত বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরন করা হয়েছে।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর ইশতেহার ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অংশ হিসেবে নওগাঁর ধামইরহাট এক্স টেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেন্ট চেন্জ ইসিসিপি- ড্রট প্রকল্পের অধিনে চারা বিতরণ করা হয়।
২৯ শে অক্টোবর ( বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টায় জাকস ফাউন্ডেশন সবুজ নগর, জয়পুরহাটের বাস্তবায়নে এবং পিকে এস এফ এর সহযোগিতায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড এর অর্থায়নে প্রধান শিক্ষক মোসাঃ জহুরা খাতুনের সভাপতিত্বে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয় । প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার রবিন্দ্রনাথ সরকার,।
প্রধান অতিথি বলেন একটি দেশের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পডছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যপকভাবে বৃক্ষ রোপন পাশাপাশি রোপনকৃত চারা গুলোর পরিচর্চা দায়িত্ব সকলকে নিতে হবে। আলোচনা শেষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীক ৫ টি করে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরন করা হয়। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমরান হাসান রোজ,ফরহাদ হোসাইন প্রকল্প হিসাব রক্ষন,অনিক মাহামুদ, মনজুরুল ইসলাম প্রকল্প কৃষি কর্মকর্তা, শহিদুল ইসলাম সবুজ প্রশি মডেল সপ্রাবি, নজরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, সহকারী শিক্ষক গন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দ প্রমুখ।

মোঃ নুরুল ইসলাম
ধামইরহাট, নওগাঁ
০১৭১০১৯০০১০

এমপি মনজুরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করলেন ইউএনও সুমা খাতুন

রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর শহরের স্লুইসগেট এলাকায় ওয়াকওয়ে, শিশুপার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমা খাতুন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. মনজুরুল ইসলাম এমপি’র দিকনির্দেশনায় তিনি স্লুইসগেট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় নদীর দুই পাড়ের সম্ভাব্য উন্নয়ন কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত দিকগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কারিগরি ও প্রকৌশলগত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমা খাতুন বলেন, মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বীরগঞ্জ পৌর শহরের স্লুইসগেট এলাকাকে একটি সুন্দর ও আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এখানে ওয়াকওয়ে, শিশুপার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব হলে স্থানীয় মানুষের জন্য হাঁটাচলা, অবসর সময় কাটানো এবং শিশুদের বিনোদনের সুন্দর পরিবেশ তৈরি হবে। পাশাপাশি নদীর দুই পাড়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং এলাকাটি পৌরবাসীর জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠবে। এ লক্ষ্যেই সম্ভাব্য স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

স্লুইসগেট এলাকাকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো গেলে এটি ভবিষ্যতে বীরগঞ্জ পৌর শহরের একটি আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে বলে স্থানীয়ভাবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাজান আলী, বীরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি উত্তম শর্মা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
তবে প্রস্তাবিত ওয়াকওয়ে, শিশুপার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অর্থায়ন এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

​
নীলফামারী প্রতিনিধি: শহিদুল ইসলাম
২৮ অক্টোবরৈপ৯৯৯০৯9৯

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ-এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতিফ।

​অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ও বিশেষ দিকসমূহ:

  • ​সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য: জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালিত হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিআরটিএ নীলফামারী সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান।
  • ​সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ: বক্তারা বলেন, মূলত বেপরোয়া গতি, অসতর্কতা এবং ট্রাফিক আইন না মানার মানসিকতার কারণেই অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে। তাই দুর্ঘটনা রোধে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
  • ​সেরা চালকদের সম্মাননা: অনুষ্টান শেষে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দক্ষতার সাথে গাড়ি চালানোর স্বীকৃতিস্বরূপ জেলার পাঁচজন আদর্শ ও দক্ষ চালককে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
  • ​বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি: অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুজহাত তাসনীম আওন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সুলতান মাহমুদ, ক্যাব সভাপতি আল-আমিন, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মিল্লাদুর রহমান মামুন, ট্রাফিক ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্র‌তি‌নি‌ধি

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে সচেতনতামূলক র্যা লি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে এ র্যা লির আয়োজন করা হয়।

গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন ও পাবলিক হেলথ বিভাগ এ র্যা লীর আয়োজন করে। র্যা লিটি গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে শুরু হয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়।

র্যা লীতে প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. গোলাম মোর্শেদ মোল্লা।

এতে মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার ও ফেস্টুন বহন করেন। পাশপাশি ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট বিতরন করা হয়।

এসময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুর ২ ঘটিকায় মাদারগঞ্জ ভূমি অফিস সংলগ্ন মাঠে অংশীজন বা স্টেকহোল্ডারদের সাথে ইন্টারেক্টিভ সেশন এবং সংলাপের মাধ্যমে মাতৃ, নবজাতক, শিশু এবং কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কমিউনিটি অ্যাকশন প্ল্যানিং বা সামাজিক কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বল্লভের খাস ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড মহিলা ইউপি সদস্য শ্রীমতি প্রতিমা রাণী চ্যাটার্জীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ০৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল করিম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাদারগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সমাজসেবক মোঃ দুলাল হোসেন ও মোঃ আলতাফ হোসেন, মমিনগঞ্জ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মোঃ জুলহোসেন, স্থানীয়গণ্যমান্য মকবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর, বাবু ফাতেমা বেগম, গর্ভবতী মা সাথী রাণী, প্রসূতি মা শিউলি, তাসফিয়া, আফসানা সহ আরো অনেকেই।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম এর প্রকল্প প্রজেক্ট অফিসার জেমস উজ্জ্বল শিকদার, কমিউনিটি ফেসিলিটেটর আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

আলোচনায় মাতৃস্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা, গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সেবার সীমাবদ্ধতা, নবজাতকের প্রয়োজনীয় যত্ন, শিশুদের টিকাদান ও পুষ্টি, অপুষ্টি প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয় উঠে আসে।

সভায় বক্তারা বলেন, “স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো স্বাস্থ্য কর্মসূচিই দীর্ঘমেয়াদে সফল করা সম্ভব নয়।” তাই জনগণের মতামত ও স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে সামাজিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে মাতৃ, নবজাতক, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথে এগোচ্ছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীবাসীর। কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত পৌর এলাকার সীমানা নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পৌরসভা গঠনের কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

১৯০৮ সালে কাশিয়ানী থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ঐতিহ্যবাহী এ জনপদ একসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। দীর্ঘদিন ধরে কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

কাশিয়ানীর পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলা ২০০০ সালে পৌরসভায় উন্নীত হয়। এরপর থেকে কাশিয়ানীকেও পৌরসভা করার দাবি আরও জোরালো হয়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

সম্প্রতি কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ নতুন গতি পেয়েছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম নির্বাচনী প্রচারণায় কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

পৌরসভা গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, পরিকল্পিত নগরায়ণ, উন্নত নাগরিক সেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য কাশিয়ানীকে পৌরসভায় রূপান্তর করা প্রয়োজন।

বরাশুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ইরামুজ্জামান মোল্লা বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই কাশিয়ানীর আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এলাকাটি উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকদের জীবনমান ও সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন ঘটবে। এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানান।

কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইরিন জামান ইরা বলেন, কাশিয়ানী একটি ঐতিহ্যবাহী ও পুরোনো উপজেলা। দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার আলোচনা থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সংসদ সদস্য এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ায় তাঁরা আশাবাদী। এ উদ্যোগের জন্য তিনি সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।

কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে থাকা কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগকে উপজেলাবাসী স্বাগত জানাচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনের আগে এটি সংসদ সদস্যের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও ধন্যবাদ জানান।

এ বিষয়ে কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া বলেন, কাশিয়ানীকে পৌরসভায় রূপান্তরের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে এবং বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কাশিয়ানী ঐতিহ্যবাহী একটি জনপদ। পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে এলাকার মানুষের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করা সময়ের দাবি। এটি তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিরও অংশ। পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে সড়ক যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবার সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সড়ক নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত পৌরসভা গঠনের উদ্যোগ সামনে আসায় কাশিয়ানীর মানুষের মধ্যে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে কাশিয়ানীকে পৌরসভায় উন্নীত করা হবে। এতে নাগরিক সেবার মান বাড়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ, অবকাঠামো ও সামগ্রিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রাম ৭ এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুর ২ ঘটিকায় ঘোগাদহ ইউনিয়নের গুনের ভিটা (৩ নং ওয়ার্ড) গ্রামে অংশীজন বা স্টেকহোল্ডারদের সাথে ইন্টারেক্টিভ সেশন এবং সংলাপের মাধ্যমে মাতৃ, নবজাতক, শিশু এবং কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্য (MNCAH) সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কমিউনিটি অ্যাকশন প্ল্যানিং বা সামাজিক কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে
মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম সদরের হেলথ ইন্সপেক্টর ফজলুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফ্যামিলি প্লানিং ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষক মাহফুজার রহমান লিটন, ইমাম বাচ্চু মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম এর প্রকল্প প্রজেক্ট অফিসার জেমস উজ্জ্বল শিকদার, কমিউনিটি ফেসিলিটেটর রোকন-উদ- দৌলাহ, খোরশেদ আলম প্রমূখ।

আলোচনায় মাতৃস্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা, গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সেবার সীমাবদ্ধতা, নবজাতকের প্রয়োজনীয় যত্ন, শিশুদের টিকাদান ও পুষ্টি, অপুষ্টি প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয় উঠে আসে।

সভায় বক্তারা বলেন, “স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো স্বাস্থ্য কর্মসূচিই দীর্ঘমেয়াদে সফল করা সম্ভব নয়।” তাই জনগণের মতামত ও স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে সামাজিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে মাতৃ, নবজাতক, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

শাকিল হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) একাডেমির কুটিরশিল্পে উৎপাদিত পণ্যের প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চার দেশের রাষ্ট্রদূত।

আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কসোভো, মালদ্বীপ, মরক্কো ও সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূতেরা একাডেমি পরিদর্শনে এসে এসব পণ্য ঘুরে দেখেন।
উষ্ণ অভ্যর্থনা ও একাডেমি পরিদর্শন
রাষ্ট্রদূতেরা একাডেমিতে পৌঁছালে তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। এরপর অতিথিরা একাডেমির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন, যার মধ্যে রয়েছে:
হস্ত ও কুটিরশিল্প বিভাগ,গার্মেন্টস বিভাগ,
প্রান্তিক শক্তি ও ওয়েল্ডিং বিভাগ।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূতেরা একাডেমিতে উৎপাদিত পণ্যের উচ্চমান ও সামগ্রিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে এই কুটিরশিল্পের পণ্যগুলো নিজ নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আলোচনা সভা ও চুক্তি করার আগ্রহ
পরিদর্শন শেষে মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা ও বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপ্রেরণায় এই একাডেমিতে কুটিরশিল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এসব পণ্যের চাহিদা ও আগ্রহ ব্যাপকভাবে বাড়ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সফরকারী চার দেশের রাষ্ট্রদূত এই উৎপাদিত পণ্যগুলো তাঁদের দেশে নেওয়ার জন্য দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা পারভেজ আহমেদ জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাষ্ট্রদূতেরা একাডেমিতে পৌঁছান এবং আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন কার্যক্রম ও উৎপাদনমুখী উদ্যোগগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে চার দেশের রাষ্ট্রদূত ছাড়াও আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সদস্য এবং দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রুম্মান মাহমুদ শৈশব
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনসংলগ্ন তিনটি গ্রামে বাঘের উপস্থিতির খবরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভোলা নদীর চরে একটি মৃত গরুর দেহাবশেষ ও বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়ার পর খুড়িয়াখালী, সোনাতলা ও রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য বাঘের বিচরণ ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি বন বিভাগ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে সতর্ক করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে সুন্দরবনসংলগ্ন ভোলা নদীর চরে একটি গরুর দেহাবশেষ দেখতে পান স্থানীয়রা। গরুটিকে বাঘে খেয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তাঁরা। পরে ওই এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপও দেখতে পাওয়া যায়। সোমবার সকালে সুন্দরবনসংলগ্ন পানির এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের তিন গ্রামের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।

খবর পেয়ে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা ওয়াইল্ড টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর আলম হাওলাদার জানান, ঘটনাস্থলে বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পর্যবেক্ষণ শেষে স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, প্রাপ্ত আলামত ও তথ্য অনুযায়ী, বাঘটি আবারও সুন্দরবনে ফিরে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেটি পুনরায় লোকালয়ে আসবে না, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। সুন্দরবনের সঙ্গে লোকালয়ের সীমানা লাগোয়া হওয়ায় মাঝেমধ্যে বাঘ ও হরিণ লোকালয়ে চলে আসে।

তিনি আরও বলেন, বাঘের উপস্থিতির আলামত পাওয়ার পর স্থানীয়দের সতর্ক করতে মাইকিং করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে অপ্রয়োজনে চলাচল সীমিত রাখতে হবে। কোনোভাবেই বাঘের ক্ষতি করা যাবে না। কোথাও বাঘের দেখা মিললে দ্রুত বন বিভাগকে খবর দেওয়ার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, বাঘের সম্ভাব্য বিচরণ নিয়ে খুড়িয়াখালী, সোনাতলা ও রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি লোকালয়ের মানুষের নিরাপত্তায় সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবীরা।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বাঘের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের সতর্ক করতে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বাঘের দেখা পেলে আতঙ্কিত হয়ে সেটিকে ধাওয়া করা বা আঘাত করা যাবে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিরাপদ দূরত্বে থেকে দ্রুত বন বিভাগকে খবর দিতে হবে। স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে এবং রাতে অপ্রয়োজনে চলাচল এড়িয়ে চলতে অনুরোধ করা হচ্ছে।