October 28, 2026

DailyJanotarDiary@gmail.com

ডেইলি জনতার ডায়েরি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে সংবাদ প্রতিবেদন ও বিভিন্ন ফিচারধর্মী কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়।

মোঃ রনি রজব ভোলাহাট উপজেলা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি


চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার একটি সীমান্তবর্তী বজরাটেক এলাকায় তিন বন্ধুর তাক লাগানো উদ্ভাবন
আমরা সাধারণত পাকা আম খাওয়ার পর এর খোসা বা চোকা বর্জ্য হিসেবে ফেলে দিই। যে ফেলে দেওয়া অংশকে এতদিন পর্যন্ত একেবারে অর্থহীন মনে করা হতো, এবার সেই আমের খোসা থেকেই তৈরি হচ্ছে উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন ব্যতিক্রমী ও সুস্বাদু ‘ম্যাংগো পিল টি’ বা আমের খোসার চা! চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার বজরাটেক এলাকায় তিন তরুণের এমন উদ্ভাবন পুরো এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন তিন বন্ধু মোঃ মাইনুল ইসলাম (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী), মোঃ মিঠু (সরকারি চাকরিজীবী) এবং এ. বান্না মাসুম (আইটি ব্যবসায়ী)। তারা তিনজনে মিলে গড়ে তুলেছেন ‘সবুজ খাবার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
উদ্যোক্তারা জানান, এই পথচলার মূল প্রেরণা ছিল ২০২২ সালের একটি বেদনাদায়ক স্মৃতি। সে বছর আম মৌসুমে হঠাৎ আমের দাম এতটাই কমে যায় যে, কৃষকরা আম বিক্রি করতে না পেরে তা গরুকে খাওয়াতে বাধ্য হন। লোকসান থেকে বাঁচতে অনেকে আম গাছ কেটে ফেলার মতো চরম সিদ্ধান্তও নিতে শুরু করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ঐতিহ্য ও আমচাষীদের এই সংকটময় মুহূর্তে আমকে রক্ষা করার তীব্র তাগিদ থেকে এই তিন বন্ধু সিদ্ধান্ত নেন প্রক্রিয়াজাত আম নিয়ে কাজ করার। প্রথমদিকে ২০২২ সাল থেকে তারা শুকনো আম (ড্রাই ম্যাংগো) ও আমের পাউডার তৈরি করা শুরু করেন। কিন্তু ড্রাই ম্যাংগো বানানোর সময় দেখা যেতো বিপুল পরিমাণ আমের খোসা ফেলে দিতে হচ্ছে। বর্জ্য হিসেবে পড়ে থাকা এই খোসাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় এই ভাবনা থেকেই ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি শুরু করেন তারা। একপর্যায়ে জানতে পারেন, আমের খোসা দিয়েও অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন চা তৈরি সম্ভব। এরপরই পরীক্ষামূলক তৈরী করেন পরবর্তীতে রূপ নেয় এক অনন্য সফলতায়। প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে কেবল উদ্ভাবনী চিন্তাই নয়, দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সাফল্য দেখিয়েছেন তারা। আম শুকাতে (ড্রাই করতে) প্রয়োজনীয় উন্নতমানের মেশিন চায়না থেকে আমদানি করতে খরচ হতো প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু তিন বন্ধু তাদের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মাত্র ৫ লাখ টাকায় দেশীয় প্রযুক্তিতে সেই একই মানের মেশিন তৈরি করে ফেলেন, যা তাদের খরচ অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দেয়। ১ কেজি আমের চা প্রস্তুত করতে প্রায় ১৪ কেজি আমের খোসার প্রয়োজন হয়। এই ম্যাংগো পিল টি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াজাতকরণ শেষ হতেও কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ধাপ অতিক্রম করতে হয়, বাজার থেকে সেরা মানের আম সংগ্রহ করা হয়,আমগুলো ভালোভাবে ধুয়ে এর খোসা বা চোকা ছাড়ানো হয় এরপর ছাড়ানো খোসাগুলো তাদের নিজস্ব তৈরি মেশিনে প্রায় ৪ থেকে ৫ দিন রেখে সম্পূর্ণ শুষ্ক (ড্রাই) করা হয় তারপর শুকনো খোসাগুলো ব্লেন্ডার মেশিনে প্রক্রিয়াজাত করে চায়ের প্রমিত আকৃতি ও দানায় রূপান্তর করা হয়। এরপর ফুটন্ত গরম পানিতে সামান্য প্রমিত আকৃতি দানা মিশিয়ে নিলেই মুহূর্তেই তৈরি হয়ে যায় সুস্বাদু ও সুবাসিত ‘ম্যাংগো পিল টি’। উদ্যোক্তারা আরো জানান, বর্তমানে তারা দুই ক্যাটাগরিতে এই চা বাজারজাত করছেন, ম্যাংগো পিল গোল্ড টি ৪,০০০ টাকা কেজি (এটি গ্রাহকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়)।
ম্যাংগো পিল ডার্ক টি ২,০০০ টাকা কেজি। স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি অনলাইনে তাদের ফেসবুক পেজ ‘সবুজ খাবার’-এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই চা বিক্রি করছেন এবং প্রতিনিয়ত অর্ডারও পাচ্ছেন ব্যাপক। শুধুমাত্র আমের খোসার এই চা বিক্রি করেই বর্তমানে তারা মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করছেন। পুরো আমটার একটি অংশও এখন আর ফেলনা যাচ্ছে না, আম থেকে ড্রাই ম্যাংগো, পাউডার এবং অবশিষ্টাংশ থেকে চা সবটাই তারা বাণিজ্যিক রূপ দিয়েছেন। আমের ফেলে দেওয়া উপাদান থেকে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর চা তৈরির এই উদ্ভাবন দেখে তাজ্জব বনে গেছেন বজরাটেক গ্রামের বাসিন্দারা। স্থানীয়রা এই চা পান করে এর স্বাদ ও সুবাসের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।

এই বিষয়ে ভোলাহাট উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সুলতান আলী বলেন,”আমের ফেলে দেওয়া অংশ থেকে তারা যে ম্যাংগো চা বানাচ্ছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়। আমরা এই ধরনের উদোক্তাদের পাশে সবসময় আছি, তাদের সবরকম সহযোগিতা করে আসছি এবং যা সাপোর্ট লাগে আমরা তাদের দিবো। আমরা চাই এই ধরনের উদোক্তা আরো তৈরী হোক”।

তিন বন্ধুর এই মেধা, শ্রম ও ইচ্ছাশক্তি প্রমাণ করে দিয়েছে সঠিক ভাবনা আর সদিচ্ছা থাকলে ফেলে দেওয়া আমের চোকা থেকেও বিশ্বমানের সম্ভাবনা উন্মোচন করা সম্ভব।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ট্রাকের চাপায় বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার পবন বেগ গ্রামের হেমায়েত মোল্লার ছেলে সাইফুল ইসলাম রঞ্জু (৪৫) ও তার মেয়ে সামিরা আক্তার(৬)।

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গ্যাড়াখোলা ব্রীজের উপর গোপালগঞ্জ গামী মাছের পিকআপ (খুলনা মোট্রো- ন-১১-২৫৬৫) মুকসুদপুর গামী অটোভ্যানকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই বাবা-মেয়ে নিহত হয়।

মুকসুদপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, গোপালগঞ্জ গামী একটি মাছের পিকআপ বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোভ্যানকে চাপা দিয়ে চলে যায়, পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করেন।
গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা মেয়ের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:


“জামায়াতে ইসলামী যদি কোনো দিন ক্ষমতায় আসে, তাহলে আমি কাপড় খুলে লেংটা হয়ে আপনাদের বলব, আপনারা আমার ওপর জুতা মারেন”—এমন মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান।
শনিবার রাতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণা চালানোর সময় জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। তাঁর এমন বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মতিউর রহমান ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সেনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি জেলা সদরের বিসিক শিল্পনগরী মুন্সিরহাট এলাকায় অবস্থিত সাবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক।
জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে তাঁর এমন মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে পরিবারের নারী সদস্যদের কবর খোঁড়ার মধ্য দিয়ে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) গভীর রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে পারিবারিক বাড়িতে তাঁর দাফন করা হয়। মরদেহ দাফন ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এশিয়া পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারী শনিবার সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মারা যান। তিনি গত দুই মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে আসা হলে দাফন নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মানিক পশারীর মরদেহ পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছালে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী ও কয়েকজনের বিরোধিতার মুখে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহ সেখান থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ মরদেহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

রাত ১টার দিকে সদর থানা পুলিশ ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় মানিক পশারীর মরদেহ তাঁর বাড়িতে পৌঁছানো হয়। পরে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও বোনসহ পরিবারের নারী সদস্যরা কবর খনন করেন। রাত ২টার দিকে দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

মানিক পশারী পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর মানিক পশারী যশোরে এবং পরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাতার বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানেই অসুস্থ অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মানিক পশারীর দাফন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং পরিবারের নারী সদস্যদের নিজেরাই কবর খননের ঘটনা এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বোন ও বোনজামাইয়ের বিরুদ্ধে অসহায় নারীর বিচার দাবি, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী

এম এ হোসেন পাটোয়ারী, পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের পীরগাছায় বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি বাঁশ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর আপন বোন ও বোনজামাইয়ের বিরুদ্ধে। গত শনিবার বিকেলে উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের উত্তর অনন্তরাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মোরশেদা বেগম।

মোরশেদা বেগম ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর মেয়ে। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থানের সুযোগে তাঁর বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় বিচার, ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোরশেদা বেগমের অনুপস্থিতিতে তাঁর বোন লাইলী বেগম, বোনজামাই মাহবুবার রহমান ও রমজান আলী বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘর ভাঙচুর করেন এবং বাঁশঝাড়ের প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি বাঁশ কেটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মোরশেদা। এ সময় তাঁকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী মোরশেদা বেগম বলেন, “আমি অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ। ঢাকায় কাজের তাগিদে থাকার সুযোগে আমার বসতবাড়ি ভাঙচুর ও বাঁশঝাড় কেটে সাবাড় করা হয়েছে। এর আগেও ২০২২ সালে তাঁদের লোকজনের হাতে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছিলাম। বিচার চাইলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এখন নিজের বাড়িতে যেতেও ভয় পাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং নিরাপদে বসবাসের নিশ্চয়তা চান তিনি। এ জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাইলী বেগম ও মাহবুবার রহমান বাঁশ কাটার কথা স্বীকার করে দাবি করেন, তাঁরা অন্য কারও জমির বাঁশ কাটেননি; নিজেদের অংশের বাঁশ কেটেছেন।

এ বিষয়ে পীরগাছা থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ বা আইনি আবেদন পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোঃ সিমান্ত তালুকদার
রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ):

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বেকারত্ব দূরীকরণ ও তরুণ-তরুণীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরু হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাব্বির আহমেদের বিশেষ উদ্যোগে আয়োজিত এই ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধনী ক্লাসে উপজেলার দুই শতাধিক উৎসুক নারী-পুরুষ ও যুবক-যুবতী অংশ নেন।
শনিবার (বা নির্দিষ্ট দিন) জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হয়। রায়গঞ্জ উপজেলা থেকে মাঠ পর্যায়ের চিত্র তুলে ধরে স্থানীয় প্রতিনিধি মো: সিমান্ত তালুকদার জানান, উদ্বোধনী ক্লাসেই প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের বিষয়ে স্থানীয় যুবসমাজ গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, বর্তমান যুগে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম সেরা মাধ্যম। এই ফ্রি কোর্সের মাধ্যমে রায়গঞ্জের বিপুল সংখ্যক বেকার যুবক-যুবতী ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিজেদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে পারবেন। এতে করে শুধু নিজেদেরই উন্নয়ন হবে না, বরং পুরো রায়গঞ্জ উপজেলার কর্মহীনতা ও বেকারত্ব দূর করতে এটি একটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।

উদ্বোধনী ক্লাসে অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণীরা এমন একটি মহৎ ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাব্বির আহমেদকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে রায়গঞ্জের যুবসমাজ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নিজেদের দক্ষ করে তুলবে এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আব্দুল্লাহ শেখ (২৬) নামে এক যুবক গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারকৃত আব্দুল্লাহ একই ইউনিয়নের পারকরফা গ্রামের মৃত নবাব আলী শেখের ছেলে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় তিনি সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের পারকরফা গ্রামে বসবাস করেন। গত ৪ অক্টোবর দুপুরে তিনি বাবার বাড়ির একটি বসতঘরে খাটে শুয়ে ছিলেন। এ সময় লম্পট আব্দুল্লাহ ঘরে প্রবেশ করে তাকে জাপটে ধরে চুমু দেন এবং শ্লীলতাহানি করেন। ওই গৃহবধূর চিৎকারে তাঁর স্বজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে গৃহবধূ বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় একটি মামলা করেন।

ওই গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি লম্পট আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করে উল্টো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি তার ভয়ে পার্শবর্তী লোহাগড়া উপজেলায় আমার এক আত্মীয়র বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। আমি ভয়ে আমার বাবার বাড়িতে যেতে পারছি না।’

কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহফুজুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘অভিযুক্ত আসামি আব্দুল্লাহ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

এছাড়া আব্দুল্লাহ বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন, চুরি-ডাকাতি এবং ছিনতাইসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখা এবং শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের (JWA) গাইবান্ধা জেলা কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ আশানুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রাজিব মিয়া।

গত ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় কমিটি এ কমিটির অনুমোদন দেয়।

অনুমোদিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মাহবুব আকন্দ এবং সহ-সভাপতি হিসেবে আশিকুর রহমান ও আদিব মাহবুব স্বাক্ষর রয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক রাজিব মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হোসাইন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেকাউল রহমান ও মোঃ লিখন সরকার দায়িত্ব পেয়েছেন।

এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মোঃ জুনাইদ হোসেন আলিফ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মোঃ মাসুদ মিয়া এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সৌরভ মিয়া ইমরান, আরাফাত লিমন ও মোঃ নুর আলম মিয়াকে মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটিতে মুখপাত্র হিসেবে মোঃ বায়েজিদ বেস্তাম জিস, সিনিয়র সহ-মুখপাত্র হিসেবে সোহেল মিয়া এবং সহ-মুখপাত্র হিসেবে হোসেন আহমেদ পাভেল, সবুজ হাসান বিশ্ব ও মোঃ রবিউল মিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মোঃ রিয়াদ মণ্ডল, উপ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মাসুদ রানা, প্রেস ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে আরাফাত রহমান, প্রচার সম্পাদক হিসেবে লাজুক মিয়া এবং জরুরি পরিস্থিতি প্রচারণা সম্পাদক হিসেবে নয়ন মিয়ার নাম রয়েছে। আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে ফয়সাল তাহমিদ রোহিত, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে খাদিজা আক্তার হ্যাপি এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রিয়াফাত হাসান শিহাবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পদে আরও সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নবনিযুক্ত সভাপতি মোঃ আশানুর রহমান দায়িত্ব পেয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, গাইবান্ধা জেলার সব জুলাই যোদ্ধাকে সঙ্গে নিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ঐক্যের ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চান। সহযোদ্ধাদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং তাঁদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকাকে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে গাইবান্ধা জেলায় জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই থেমে গেল দুটি প্রাণ। স্বজনদের জন্য নেমে এলো শোকের ছায়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন সৌরভ (৩২) ও আসিফ (২৬)।
সৌরভের বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। তবে আসিফের বিস্তারিত ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে রংপুর থেকে দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। শনিবার সকালে বাসটি সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সদস্যরা। তাঁরা আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৌরভ ও আসিফের মৃত্যু হয়।
আহতদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্য আহত যাত্রীরা জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম জানান, এ দুর্ঘটনায় দুই বাসযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

একটি দুর্ঘটনা, দুটি প্রাণহানি—আর অসংখ্য স্বজনের জীবনে দীর্ঘশ্বাস ও কান্নার স্মৃতি। সড়কে একটু অসতর্কতা কিংবা নিয়মের ব্যত্যয় কেড়ে নিতে পারে একটি পরিবারের প্রিয় মানুষকে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায়
কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

কোটালিপাড়া উপজেলার ধারাবাশাইল সরকারি আদর্শ কলেজ হলরুমে ঢাকাস্থ কান্দি ইউনিয়ন যুব সংঘের আয়োজনে এ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী।

ঢাকাস্থ কান্দি ইউনিয়ন যুব সংঘের সভাপতি বিপ্লব বৈরাগীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন, ধারাবাশাইল সরকারি আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আশরাফ খাঁন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মান্নান শেখ,সাংবাদিক প্রশান্ত অধিকারী, মিজানুর রহমান বুলু,শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র বাড়ৈ,সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কৌশিক হালদার,কৃতি শিক্ষার্থী তবু বালা,স্বর্ণা ঢালী বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ৫৩ জন কৃতি শিক্ষার্থী ও ৫ জন গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথি এস এম জিলানী কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম জিলানী বলেন,ঢাকাস্থ কান্দি ইউনিয়ন যুব সংঘ দীর্ঘ দিন ধরে সততার সাথে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।আমি এই ইউনিয়নের ভোটার ও এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদেরকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।সাথে সাথে এই সংগঠনের সকল সদস্যদেরকে মাদক প্রতিরোধে কাজ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

মাদক প্রতিরোধে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য আহবান জানিয়ে এস এম জিলানী বলেন, মাদক এখন একটি সামাজিক ব্যধিতে পরিনত হয়েছে।মাদক সেবনে যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে। যুব সমাজ হচ্ছে একটি সমাজ,রাষ্ট্র,তথা দেশর চালিকা শক্তি।এই যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে না পারলে সমাজ,রাষ্ট্র,তথা দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।তাই আসুন,আমরা সকলে মিলে মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিত ভাবে কাজ করি।