দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তের প্রতিবাদে গাজীপুরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে মহানগর যুবদল। দেশকে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার হাত থেকে রক্ষা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দাবিতে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গাজীপুর মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বিকেল থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নির্ধারিত স্থানে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে কর্মসূচির এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। মিছিলের অগ্রভাগের ব্যানারে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সমাবেশ ও মিছিল’ শীর্ষক বার্তা তুলে ধরা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক আকবর হোসেন ফারুক। তিনি বলেন, পরিকল্পিত সন্ত্রাস বা অস্থিতিশীলতার মাধ্যমে কোনো পক্ষ যাতে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে যুবসমাজকে সচেতন থাকতে হবে। জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা মোকাবিলায় যুবদল রাজপথে থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদল নেতা মাঈন উদ্দিন পাপেলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। বক্তারা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহার এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় থাকার কথা জানান তারা।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে মিলগেইট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এ সময় দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে আজ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। আপনারা জানেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় ভোটারদের কাছে ফখরুল ইসলাম বলতেন, এটাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় হওয়ায় অনেকেই তাকে ভোট দিয়েছেন। এবার ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মানুষ তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবেন।”
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির মো. বেলাল উদ্দিন প্রধান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আলমগীর, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক কফিল উদ্দিনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দেলাওয়ার হোসেন। দেলাওয়ার হোসেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য ও গ্রুপিং নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে একাধিক বলয় তৈরি হওয়া, সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে মতবিরোধ এবং সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এ বিভাজন আরও প্রকাশ্যে এসেছে। একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অতীতে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের একটি অংশও পুনরায় দলে ফেরার প্রত্যাশা করছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক কাঠামো না থাকায় নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিএনপির বিভিন্ন পক্ষের নেতাদের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও কালিগঞ্জ বিএনপিতে বিভক্তি তৈরি হয়। দলীয় প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীনের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ডা. শহিদুল আলমের নির্বাচনে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। এরপর ডা. শহিদুল আলমসহ কালিগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকশ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।
বহিষ্কৃতদের একটি অংশ বর্তমানে দলীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। তাদের সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এসব নেতাকর্মীকে পুনরায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে স্থানীয় পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়তে পারে। তবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিষয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কালিগঞ্জ বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার আগেই বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে পৃথকভাবে সভা-সমাবেশ ও প্রচার চালানো হচ্ছে। এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত ২২ সেপ্টেম্বর কালিগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উপজেলা পরিষদ চত্বর ও কালিগঞ্জ থানার আশপাশে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উভয় পক্ষের কয়েকজন থেকে অন্তত ১১ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কৃষক দলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি কর্মসূচি এবং অন্য একটি পক্ষের পৃথক কর্মসূচি একই এলাকায় হওয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সাংগঠনিক সমন্বয়ের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। নির্দেশনায় কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নেতাদের মধ্যে সমন্বয় ও পরামর্শের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করেও স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দলের একাংশের অভিযোগ, অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এমন কয়েকজন ব্যক্তি পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে এসেছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং অভিযুক্তদের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে কালিগঞ্জের ১২টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তৎপরতা বাড়ছে। দলীয় প্রতীক না থাকায় বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হলে অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান কী হবে—এ নিয়েও নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকলে ভোটের সমীকরণে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়েও চলছে হিসাব-নিকাশ।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভাষ্য, বহিষ্কারাদেশ, নেতৃত্বের বিরোধ, সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই এবং বিভিন্ন পক্ষের সাংগঠনিক কর্মসূচি—সব মিলিয়ে কালিগঞ্জ বিএনপির সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ দলীয় ঐক্য ধরে রাখা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব বিরোধের কীভাবে সমাধান হয়, সেদিকেই নজর রাখছেন দলের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কালিগঞ্জ বিএনপির দুই পক্ষের বিরোধের বিষয়টি উঠে এসেছে।
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ডালিমের বিরুদ্ধে সারের ডিলারশিপ নিয়োগকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রেসক্লাব পীরগাছা কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা বলেন, কান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক জিয়াউর রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছেন। এতে দলীয় সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফোনালাপে তাদের নাম জড়িয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা অসত্য। অডিওতে উল্লেখিত রহিম নামের কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সারের ডিলারশিপ নিয়ে তার কোনো কথা বা সাক্ষাৎ হয়নি।
রাঙ্গা আরও বলেন, সারের ডিলার নিয়োগ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। উপজেলা বিএনপি কোনো ব্যক্তির পক্ষে সুপারিশ করেনি এবং এ বিষয়ে কোনো আর্থিক লেনদেনও হয়নি।
তিনি দাবি করেন, জিয়াউর রহমান কান্দি ইউনিয়নে সারের ডিলারশিপ পাওয়ার জন্য দলীয় সুপারিশ চেয়েছিলেন। নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় সুপারিশ না করায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে নেতাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করছেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ডালিম বলেন, ব্যক্তিস্বার্থে কিছু ব্যক্তি দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপির কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দলীয় নেতাদের নাম ব্যবহার করে অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জিয়াউর রহমান তার ফেসবুক আইডিতে উপজেলা বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে সারের ডিলারশিপ নিয়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করেন। পরে অন্নদানগর ইউনিয়নের দুই ব্যবসায়ীর কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা আবুল কাশেম। নির্বাচনী তৎপরতার অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি সিলেট সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষা, সমাজসেবা ও তরুণদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা। সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও আবুল কাশেমের আগ্রহ রয়েছে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে তিনি কাজ করে আসছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানান।
বর্তমানে সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও এলাকায় গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে দেখা করছেন আবুল কাশেম। এ সময় তিনি তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে তাঁর অগ্রাধিকার সম্পর্কে আবুল কাশেম বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, তরুণদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে চান। একই সঙ্গে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।
আবুল কাশেম বলেন, “মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ হলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ভেদাভেদ না করে সিলেট সদর উপজেলার প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য একটি উন্নত, আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব ও জনবান্ধব উপজেলা গড়ে তোলা।”
তিনি সিলেট সদর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত প্রার্থীতা ও নির্বাচনী সমীকরণ দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
মোঃ রনি রজব, ভোলাহাট উপজেলা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আসন্ন ১নং ভোলাহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১নং ভোলাহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন এলাকার পরিচিত মুখ ও মরহুম আলী ডাক্তারের ছোট ছেলে মোঃ হাসনাত জামিল তারেক।
তিনি বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। এ লক্ষ্যে তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মোঃ হাসনাত জামিল তারেক বলেন, “জনগণের প্রকৃত সেবা করতে এবং ১নং ভোলাহাট ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মডেল ও জনবান্ধব ইউনিয়নে রূপান্তর করতে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। আপনাদের মূল্যবান দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সুষম উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিতে চান।
তার প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তৎপরতা বাড়ার পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
হাসনাত জামিল তারেক ১নং ভোলাহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে আগামী নির্বাচনে তাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। কর্মসূচিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রাশেদুল ইসলাম কিরণ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গী বাজার এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকারের নির্দেশনায় এবং রাশেদুল ইসলাম কিরণের নেতৃত্বে মিছিলটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে মিলগেট এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে রাশেদুল ইসলাম কিরণ বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশকে একটি ‘তলাবিহীন ঝুড়িতে’ পরিণত করেছিল বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পরও সেখান থেকে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র করছেন।
কিরণ বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিচার হওয়া উচিত। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশে যারা বর্তমানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছেন, তারা যেন শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত না হন।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা ও এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থাকবেন বলেও জানান তিনি।
কর্মসূচিতে টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্য সচিব নাজমুল হোসেন মন্ডল, বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম খান কালা, মো. ইসমাইল শিকদার বসু, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ৩ নম্বর অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন তরুণ সমাজসেবক মো. সুমন মিয়া। নির্বাচিত হলে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও সমতাভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
লালটেক গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান সুমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কথা জানিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনকে ভিত্তি করেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে সুমন মিয়া বলেন, “কোনো দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীকের বৃত্তে আমি নিজেকে বন্দি রাখতে চাই না। ৩ নম্বর অলংকারী ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই হবে আমার প্রধান শক্তি। আমি শাসক হতে আসিনি, সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”
তিনি জানান, নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতি তিন মাস পরপর ইউনিয়নের আয়-ব্যয়, সরকারি অনুদান ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়ন বৈষম্য কমাতে ৯টি ওয়ার্ডের প্রাপ্য সরকারি বরাদ্দ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তার পরিকল্পনায় রয়েছে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, ড্রেনেজ অবকাঠামো, সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা।
সুমন মিয়া আরও বলেন, ইউনিয়নের যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি ইউনিয়নের ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নে নতুন গতি আনার লক্ষ্য রয়েছে তার।
এদিকে, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণার পর স্থানীয়ভাবে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানান তার সমর্থকেরা। তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করবেন ইউনিয়নের ভোটাররা।
নিজের ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৩ নম্বর অলংকারী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের পরামর্শ, সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন মো. সুমন মিয়া।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ৩নং ইটালী ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইটালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও স্থানীয় বিএনপি নেতা সোহানুর রহমান সিহাবের এক নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টায় ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ছতর গ্রামে এই উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উঠান বৈঠকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীসহ এলাকার প্রায় দুই শতাধিক নারী পুরুষ ভোটার অংশ নেন।
উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহানুর রহমান সিহাব বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান এবং বিএনপির একজন ক্ষুদ্র কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে দল ও জনগণের পাশে থেকে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা নির্যাতন-পীড়ন সহ্য করতে হলেও কখনো বিএনপির আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি।
আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করে নাটোর জেলা আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের এই সদস্য আরও বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আমি ইটালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি দলের কাছে ধানের শীষের সমর্থন ও মনোনয়ন চাইব। দল যদি আমাকে মনোনীত করে, তবে জনগণের ভোটের মাধ্যমে জয়ী হয়ে ইটালীবাসীর সুখে-দুঃখে একজন প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।এ সময় তিনি স্থানীয় ভোটারদের কাছ থেকে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এর আগে সোহানুর রহমান সিহাব ইটালী ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে গণসংযোগ করেন এবং সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাটের মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও কথিত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় মোংলা পৌর ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে পৌর চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য সৃষ্টি, গোপন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো. জুলফিকার আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিকসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।