October 29, 2026

অন্যান্য

সাইফুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নের বড় ডুমরিয়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গাভী ও ১টি বাছুরসহ একটি গোয়ালঘর পুড়ে গেছে। এতে জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কৃষক ও বিদেশফেরত উৎসব বাইন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে উৎসব বাইনের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে বিদেশ থেকে আনা জমানো টাকা দিয়ে গাভীর খামার শুরু করেন উৎসব বাইন। পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় তিনি গাভীগুলো লালন-পালন করছিলেন। এর মধ্যে একটি গাভী বাচ্চা দিয়েছিল এবং প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লিটার দুধ পাওয়া যেত। আরও দুটি গাভী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বাচ্চা দেওয়ার উপযুক্ত ছিল।

উৎসব বাইনের বড় ভাই অনিমেষ বাইন জানান, পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়ার পর গোয়ালঘরে থাকা বৈদ্যুতিক সংযোগের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

আগুন দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ৫টি গাভী ও ১টি বাছুর পুড়ে মারা যায় এবং গোয়ালঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উৎসব বাইন বলেন, “আমি ১৫ বছর সিঙ্গাপুরে ছিলাম। বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করেছি। তেমন টাকা আয় করতে পারিনি। দুই বছর আগে দেশে ফিরে বিদেশ থেকে আনা টাকা দিয়ে গাভীর খামার শুরু করি। জীবনের জমানো অর্থ ও শ্রম দিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। এই গরুগুলোই ছিল আমার পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। রাতের আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, “গরুগুলোকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। চোখের সামনে তাদের পুড়ে যেতে দেখেছি, কিন্তু কিছুই করতে পারিনি। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে এখন অসহায় হয়ে পড়েছি।”

ডুমরিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নিজাম শেখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, উৎসবের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকেও যথাসম্ভব সহযোগিতা করা হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি তাদের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনা করে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে।

সুজন চন্দ্র দাস দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

আসন্ন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৌরীপুরে নিসচা কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নিসচা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন। সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসান ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নিসচা দাউদকান্দি শাখার উপদেষ্টা ও দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ প্রেমদাস রায়।
সভায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
এ ছাড়া পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, চালক-হেলপারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা সভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক ব্যবহারে উৎসাহিত করা, পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা এবং বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক চিহ্নিত করে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, ক্ষতিগ্রস্ত বা ঢেকে যাওয়া রোড সাইন সংস্কার ও দৃশ্যমান করা এবং অবৈধ পার্কিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
এ ছাড়া নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং প্রয়াত জাহানারা কাঞ্চনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ, মাহফিল ও দোয়ার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আলোচনা সভা শেষে নিসচা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সদস্যদের পরিচয়পত্র পরিয়ে দেন হাইওয়ে থানার ওসি প্রেমদাস রায়।
উল্লেখ্য, আগামী ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হবে।

মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ওসি মো. আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পুলিশ সুপারকে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

এর আগে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের পদক দেওয়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পদক দেওয়া হচ্ছে। ওই প্রজ্ঞাপনে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর নামও রয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাহস ও বীরত্ব, জনসেবা, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন পেয়েছেন বিপিএম-সেবা পদক।

পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, এ পদক তাঁর একার অর্জন নয়; এটি গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের সব সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে।

পুলিশ সুপারের পদকপ্রাপ্তিতে জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় ওসি মো. আমিনুল ইসলাম তাঁর এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা এবং একটি সুস্থ, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার গোপীনাথপুরে এক মাদক দ্রব্য নির্মূল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোপীনাথপুর যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

গত ২১ শে সেপ্টেম্বর (সোমবার) স্থানীয় গোপীনাথপুরে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই সমাবেশটি এক বিশাল জনসচেতনতামূলক আন্দোলনে রূপ নেয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম নিক্সন পাইকার।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন মিঠাপুকুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন।

প্রধান অতিথি আশিক জামান বলেন, মাদক কেবল একজন তরুণকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। মিঠাপুকুরের মাটি থেকে মাদক সম্পূর্ণ নির্মূল করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। মাদক দমনে যুব সমাজ ও সাধারণ মানুষের এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানান এবং যেকোনো মূল্যে এলাকাকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ১৩ নং গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দীলিপ পাইকার, কাজী আবেদ আলী, ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান রিজু, আনসার ভিডিপির সদস্য নাজমুল হাসান, তাহাজুল সরকার ও বায়জিদ বোস্তামী প্রমুখ।

বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেন। সমাবেশ শেষে যুব সমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দারা গোপীনাথপুর এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত রাখার এবং মাদক বিক্রেতাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার সম্মিলিত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মোঃ রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ৩ নম্বর দলদলী ইউনিয়ন শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সনি আকরাম ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসাধারণের প্রতি সচেতনতা ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “সচেতন হই, ডেঙ্গুমুক্ত থাকি।” ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ। এডিস মশার বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশে কোনো স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, বোতলসহ যেসব পাত্রে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। পানির পাত্র ঢেকে রাখতে হবে এবং বাড়ির আশপাশের আবর্জনা ও পরিত্যক্ত জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখতে হবে।

এছাড়া মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন, জানালা-দরজায় মশারোধী নেট ব্যবহার এবং শিশু ও বয়স্কদের মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেঙ্গুর সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে উচ্চ জ্বর, প্রচণ্ড দুর্বলতা, শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা, বমি ও পেটের সমস্যাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সনি আকরাম বলেন, সবাই মিলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একজনের সচেতনতা একটি পরিবারকে এবং একটি পরিবারের সচেতনতা পুরো এলাকাকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির শঙ্কা, ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন

বেনাপোল প্রতিনিধি : মনির হোসেন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গন্তব্যভেদে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা বাড়তি পরিবহন ব্যয়ের মুখে পড়েছেন। একই সঙ্গে ট্রাক সংকট দেখা দেওয়ায় অনেক আমদানিকারক সময়মতো পণ্য খালাস ও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে পারছেন না। পরিবহন ব্যয় বাড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয়সহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল। নতুন দাম রোববার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বেনাপোল থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্য পরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাক মালিকরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেনাপোল থেকে ঢাকায় আগে একটি ট্রাকের ভাড়া ছিল ২০ থেকে ২১ হাজার টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ২৫ থেকে ২৬ হাজার টাকা হয়েছে। চট্টগ্রাম রুটে আগে ২৭ থেকে ২৮ হাজার টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও এখন ৩৫ থেকে ৩৬ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। গাজীপুর, টঙ্গী ও নারায়ণগঞ্জ রুটেও ভাড়া প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা বেড়েছে।

এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা। অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীদের আগে থেকেই বার্ষিক চুক্তি থাকায় হঠাৎ করে ভাড়া বাড়ানোর কারণে অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় বহন করতে হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ লোকসান দিয়েও পণ্য পরিবহন করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্রাকচালক নাজমুল ইসলাম বলেন, বেনাপোল-ঢাকা-বেনাপোল রুটে একটি ট্রিপে প্রায় ১৫০ লিটার জ্বালানি তেল প্রয়োজন হয়। প্রতি লিটারে ২০ টাকা দাম বাড়ায় শুধু জ্বালানি খরচই কয়েক হাজার টাকা বেড়েছে। এর সঙ্গে ফেরি ভাড়া, সেতুর টোলসহ অন্যান্য ব্যয় রয়েছে। এসব কারণে প্রতি ট্রিপে বাড়তি ভাড়া নিতে হচ্ছে।

অপর চালক সাদ্দাম হোসেন বলেন, তিনি কেমিক্যাল নিয়ে ভালুকার উদ্দেশে যাচ্ছেন। আগের তুলনায় প্রায় চার হাজার টাকা বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা জানান, বন্দরে দুই ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক প্রতিদিন পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে যুক্ত। ট্রাক সংকট ও ভাড়া বৃদ্ধির কারণে আমদানি করা অনেক পণ্য সময়মতো খালাস হচ্ছে না। আগে প্রতিদিন যেখানে ৪০০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য লোড-আনলোড হতো, বর্তমানে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানেও প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা জানান।

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজী বলেন, তেলের মূল্যবৃদ্ধি, ফেরি ভাড়া ও টোলসহ বিভিন্ন ব্যয় বাড়ায় দেশের বিভিন্ন রুটে পণ্য পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে। এর পাশাপাশি ঢাকা থেকে ফেরার পথে অনেক সময় ট্রাকের জন্য পর্যাপ্ত পণ্য পাওয়া যায় না। ফলে ট্রাক মালিকদের একমুখী পরিবহনের খরচও পুষিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের সংকট তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে দুই শতাধিক কাভার্ড ভ্যানসহ প্রায় ৫০০ পণ্যবাহী ট্রাক দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাড়া বৃদ্ধি ও ট্রাক সংকটের কারণে স্বাভাবিক পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।

বেনাপোল ল্যান্ড পোর্ট ইমপোর্টার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মতিয়ার রহমান বলেন, বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আমদানি-রপ্তানি পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করা হয়। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর ট্রাক মালিকরা গন্তব্যভেদে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়িয়েছেন। এতে ব্যবসায়ীদের পরিবহন খরচ বেড়েছে। অতিরিক্ত খরচের প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে পড়তে পারে বলে তিনি জানান।

বেনাপোলের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও ট্রাক সংকটের কারণে পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচা ও পচনশীল পণ্য দ্রুত খালাস করে গন্তব্যে পাঠাতে না পারলে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে পণ্য পরিবহন করছেন।

যশোর চেম্বার অব কমার্সের যুগ্ম সম্পাদক ও আমদানিকারক এজাজ উদ্দিন টিপু বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচও বেড়েছে। এর প্রভাব বিভিন্ন পণ্যের দামের ওপর পড়তে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হতে পারে।

ব্যবসায়ীদের মতে, বেনাপোল বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি ও পরিবহন খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও বাজারদরেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: আহমদ রেজা

চট্টগ্রামে অরাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সংগঠন আন্তর্জাতিক বিশ্বতান-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি আগামীতে ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন করতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নরেন সাহা বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে সংগঠনের জন্য যারা শ্রম ও সময় দিয়েছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। পুরোনো ও ত্যাগী সদস্যদের নতুন কমিটিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি তাদের সংগঠনের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিকা বড়ুয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে গায়ক জে. এফ. নাহিদ, পূজা বৈদ্য ও ববি মনিসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পী এবং সংগঠনের সদস্যদেরও বরণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আগামী ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই ও ডিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। রোববার রাত ১০টার দিকে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ইবনে মিজান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে তিনি ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন বলে জানিয়েছিলেন।

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি।


দুই বছর পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আবারও চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতাগামী ‘বন্ধন’এক্সপ্রেস ট্রেন। সম্প্রতি দুই দেশের ট্রেন চলাচলে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো দিনক্ষণ ঠিক হয়নি।

দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর ও আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোল। এই বন্দর দিয়ে যাতায়াত করে হাজারও পাসপোর্ট যাত্রীসহ শত শত আমদানি-রপ্তানিবাহী ট্রাক।

নিরাপদ ও সহজ যাতায়াতে ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর চালু হয় খুলনা-বেনাপোল কলকাতা রুটে
বন্ধনএক্সপ্রেস ট্রেনটি।

তবে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে বন্ধ হয়ে যায় দুই দেশের রেল চলাচল। সম্প্রতি দুই দেশের ট্রেন চলাচলে আলোচনা হয়। বন্ধনএক্সপ্রেস ও মৈত্রী রেল চালু হলে উপকৃত হবে দু দেশের নাগরিকরা। বাঁচবে সময় ও খরচ।

বেনাপোল রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দেশনা পেলেই দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ চালু হবে। স্টেশন মাস্টার মো. আয়নাল হাসান জানান, যাত্রী সেবায় বেনাপোল রেল স্টেশন এলাকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রস্তুত হচ্ছে ওয়েটিং রুমসহ স্টেশন এলাকা।

বন্ধন এক্সপ্রেস ও মৈত্রী ট্রেন চালু হলে উপকৃত হবেন ভ্রমণ, চিকিৎসা, ব্যবসাসহ বিভিন্ন কাজে যাতায়াতকারী উভয় দেশের যাত্রীরা। বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়ও। #
প্রেরক:-
মো,মনির হোসেন।
বেনাপোল প্রতিনিধি যশোর।
তারিখ:-২০/০৯/২৬
মোবা:-০১৮৩৫ ০১৯৪৩১,

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৪-এ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তরুণদের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে যুব সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ক্যাম্প-২৪-এর সিআইসি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘Youth-Led Dialogue for Peaceful Coexistence: Camp & Host Community Youth Peacebuilders with Camp-In-Charge’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ক্যাম্প-২৪-এর ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি) গোলাম ফারুক। এ সময় বক্তব্য দেন ক্যাম্পের সিএমও শাহেদুল ইসলাম, পিস চ্যাম্পিয়ন মোহাম্মদ ইরফাত, স্থানীয় সংস্থা SHY Society-এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, পিস চ্যাম্পিয়ন সাগরিকা, পিস বিল্ডার মিনারা আক্তার এবং লেদা নাফ পিস ক্যাফের পিস চ্যাম্পিয়ন আব্দুর রহমান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে তরুণদের ইতিবাচক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে যুবসমাজকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তরুণদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো, পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যৌথভাবে অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পিস বিল্ডার মোহাম্মদ সোহেল।

আলোচনা সভা শেষে ক্যাম্প-২৪ থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নাফ ইয়ুথ পিস ক্যাফের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে রোহিঙ্গা ও বাংলা গানের পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিল্পী অংশ নেন।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে ক্যাম্প ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দুই শতাধিক ইয়ুথ পিসবিল্ডার অংশগ্রহণ করেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে নাশতা পরিবেশন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, যুবদের নেতৃত্বে এ ধরনের সংলাপ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বোঝাপড়া ও সামাজিক সংহতি বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি তরুণদের মধ্যে শান্তি, সহনশীলতা ও সহযোগিতার চর্চা বাড়লে ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
ডেইলি জনতার ডায়েরি