October 28, 2026

Uncategorized

সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই থেমে গেল দুটি প্রাণ। স্বজনদের জন্য নেমে এলো শোকের ছায়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন সৌরভ (৩২) ও আসিফ (২৬)।
সৌরভের বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। তবে আসিফের বিস্তারিত ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে রংপুর থেকে দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। শনিবার সকালে বাসটি সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সদস্যরা। তাঁরা আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৌরভ ও আসিফের মৃত্যু হয়।
আহতদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্য আহত যাত্রীরা জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম জানান, এ দুর্ঘটনায় দুই বাসযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

একটি দুর্ঘটনা, দুটি প্রাণহানি—আর অসংখ্য স্বজনের জীবনে দীর্ঘশ্বাস ও কান্নার স্মৃতি। সড়কে একটু অসতর্কতা কিংবা নিয়মের ব্যত্যয় কেড়ে নিতে পারে একটি পরিবারের প্রিয় মানুষকে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায়
কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

কোটালিপাড়া উপজেলার ধারাবাশাইল সরকারি আদর্শ কলেজ হলরুমে ঢাকাস্থ কান্দি ইউনিয়ন যুব সংঘের আয়োজনে এ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী।

ঢাকাস্থ কান্দি ইউনিয়ন যুব সংঘের সভাপতি বিপ্লব বৈরাগীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন, ধারাবাশাইল সরকারি আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আশরাফ খাঁন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মান্নান শেখ,সাংবাদিক প্রশান্ত অধিকারী, মিজানুর রহমান বুলু,শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র বাড়ৈ,সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কৌশিক হালদার,কৃতি শিক্ষার্থী তবু বালা,স্বর্ণা ঢালী বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ৫৩ জন কৃতি শিক্ষার্থী ও ৫ জন গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথি এস এম জিলানী কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও গুণীজনদের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম জিলানী বলেন,ঢাকাস্থ কান্দি ইউনিয়ন যুব সংঘ দীর্ঘ দিন ধরে সততার সাথে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।আমি এই ইউনিয়নের ভোটার ও এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদেরকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।সাথে সাথে এই সংগঠনের সকল সদস্যদেরকে মাদক প্রতিরোধে কাজ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

মাদক প্রতিরোধে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য আহবান জানিয়ে এস এম জিলানী বলেন, মাদক এখন একটি সামাজিক ব্যধিতে পরিনত হয়েছে।মাদক সেবনে যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে। যুব সমাজ হচ্ছে একটি সমাজ,রাষ্ট্র,তথা দেশর চালিকা শক্তি।এই যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে না পারলে সমাজ,রাষ্ট্র,তথা দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।তাই আসুন,আমরা সকলে মিলে মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিত ভাবে কাজ করি।

মো: সাখাওয়াত হোসেন মামুন, পূর্বধলা(নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে গুলিতে নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন, জড়িত সব আসামির দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন পরিচালনার লক্ষ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের প্রধান সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিককে সভাপতি করে প্রস্তাবিত এ কমিটিতে আরও ছয়জনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা হলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ইউনিটের পরিচালক (আইন ও মানবাধিকার) মোহাম্মদ আলী আবির, সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান রিয়াদ, সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন মানিক, সাংবাদিক জামাল উদ্দিন খান, দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং সাংবাদিক সায়লা আপরোজ চৌধুরী।
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ, প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এ কমিটি কাজ করবে।

কমিটির অন্যতম দায়িত্ব হবে নেত্রকোনার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন, হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জোরদার করা।
পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ ও সম্ভাব্য পরিকল্পনাকারীদের শনাক্তের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
এ ছাড়া নিহত সাংবাদিক আলিফের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকারকর্মীদের সমন্বয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার বিষয়েও কমিটি কাজ করবে।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেন, ‘সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন, জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক হত্যার বিচার নিশ্চিত করা শুধু একটি পরিবারের দাবি নয়; এটি দেশের সমগ্র সাংবাদিক সমাজের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও পেশাগত স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের উৎরাইল এলাকার তেলুনজিয়া গ্রামে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ জানিয়েছে, মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িত সব অপরাধীর গ্রেপ্তার এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

মোঃ আবদুল মোতালেব
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :-

শনিবার ২৪/১০/২৬ তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় সেনবাগ উপজেলাধীন ৬ নং কাবিলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে মো: হানিফ মিয়া (৩৫),পিতা- জয়নাল মিয়া,গ্রাম -সাহাপুর, থানা -সেনবাগ জেলা -নোয়াখালী এর ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত হয়ে একই মালিকের , তিনটি রুম বিশিষ্ট বসতঘর আসবাবপত্র সহ পুড়ে যায়। আগুনে মোট ক্ষতির পরিমাণ নগদ ১৫০০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং ঘরসহ আসবাবপত্রের ক্ষতির পরিমাণ অনুমান ২৫০০০০ (দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) সহ সর্ব মোট ৪ (চার লক্ষ) টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন, কিন্তু ততক্ষণ আগুনের লেলিহান শিখায় ঘর এবং ঘরের আসবাবপত্রসহ সবকিছু ধংশস্তূপে পরিণত হয় । ঘটনাস্থলের বর্তমান পরিস্থিতির স্বাভাবিক।

সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা এলাকায় কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের পাশে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় শনাক্তে প্রাথমিকভাবে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে পাওয়া চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে পাওয়া গেছে। ওই প্রেসক্রিপশন থেকে নারীর নাম রত্না বেগম (৩৯) এবং তাঁর ঠিকানা কসবা বলে জানা গেছে।

প্রেসক্রিপশনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত দি ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হসপিটালের। এতে অধ্যাপক সরোজ কুমার দাশের নাম উল্লেখ রয়েছে।
তবে উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে তাঁর স্বজন, পরিচিতজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কেউ রত্না বেগমকে চিনে থাকলে অথবা তাঁর পরিবারের সন্ধান জানলে দ্রুত নিকটস্থ থানা বা হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।মরদেহটির পরিচয় শনাক্তে সবার সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর গিদারী ইউনিয়নের প্রধানের বাজার এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ ও চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এক পরিবারের ওপর হামলা, মারধর, নারীকে শ্লীলতাহানি এবং নগদ ১২ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী একটি পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হামলায় আহত পরিবারের সদস্যরা গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগকারী মোঃ শ্রাবন মিয়া (২০) দাবি করেছেন। তিনি প্রধানের বাজার এলাকার মৃত সাবেদ আলী বেপারীর ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রাবন মিয়া পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমি প্রায় ২৬ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে নির্মিত দোকানঘর ভাড়া দিয়ে তিনি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। তাঁর অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশী হামিদ প্রামানিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাঁকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন ভোরে শ্রাবন মিয়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা লাঠিসোঁটা, লোহার রড, ছোড়া, শাবল, হাতুড়ি ও রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে তাঁরা পরিবারের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী মোছা. সাইয়্যাদা জান্নাত স্বর্ণের পোশাক ধরে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্ত্রীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে শ্রাবনের মা মোছা. বেবি বেগম (৬০)-কেও মারধর করে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া শ্রাবন মিয়াকে ধারালো অস্ত্র গলায় ঠেকিয়ে মারধর করা হয় বলে তিনি দাবি করেছেন।

শ্রাবন মিয়ার অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আলমারিতে রাখা ব্যবসার নগদ ১২ লাখ টাকা এবং আনুমানিক ২২ লাখ টাকা মূল্যের ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সব মিলিয়ে লুট হওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ৩৪ লাখ টাকা বলে তিনি দাবি করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের চেষ্টা করলে তাঁরা কোনোভাবে বাড়ি থেকে বেরিয়ে রক্ষা পান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহত পরিবারের সদস্যদের অটোরিকশাযোগে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে অভিযুক্তরা তাঁর বাড়ি ও দোকানঘর অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে মোঃ শ্রাবন মিয়া অভিযুক্ত হামিদ প্রামানিকসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, রাজশাহী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে রাজশাহী মহানগর যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নগরীর ভুবন মোহন পার্কে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মো. শরিফুল ইসলাম জনি। সভা পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম রবি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রকিবুল হক টফি, যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, মাইনুল ইসলাম মিন্টু, সোহেল রানা, আকতারুল ইসলাম, মাসুদুল হক মৃধা মমিন, শ্যামল শেখ, আরিফুজ্জামান সোহেল, মুজিবুল হক মিলন ও সারওয়ার পারভেজ রকি। এ ছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকিসহ মহানগর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মহানগর যুবদলের বিভিন্ন ওয়ার্ডের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সভায় আগামী ২৭ অক্টোবর যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিকেল ৩টায় নগরীর বাটার মোড়ে যুবসমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করতে মহানগর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বিষয়ে সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

হাসান আলী সোহেল,নাটোর প্র

নাটোরে ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বপন চন্দ্র (৫০) নামে এক অ্যাম্বুলেন্সচালক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের নাটোর সদর উপজেলার চাঁদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোরে একটি অ্যাম্বুলেন্স রাজশাহী থেকে নাটোরের দিকে আসছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটিকে চাপা দেয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সচালক স্বপন চন্দ্র ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

খবর পেয়ে পবা হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়ে যায়।

নিহত স্বপন চন্দ্র বগুড়া জেলার শেরপুর থানার ভাটরা গ্রামের মৃত গোবর্ধনের ছেলে।

পবা হাইওয়ে থানার এএসআই হায়দার আলী দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকচালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মোঃ শাহ্ আলম সরকার, স্টাফ রিপোর্টার,গাজীপুর।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা কমিটির পরিচিতি, পরিচয়পত্র বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও ডিসিসি প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিব মোঃ আলমগীর গনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারক পরিষদের সদস্য সচিব মুহাম্মদ মনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক সচিব মাসুদুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সচিব মেহেদী হাসান এবং দপ্তর সম্পাদক রাব্বি মোল্লা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শওকত হোসেন সরকার বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের বাস্তবতা ও সত্য তুলে ধরার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন সাংবাদিক সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে সমাজ আরও সুন্দর ও সুশীল হয়ে উঠতে পারে।

তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের হুমকি বা বাধার সম্মুখীন হলে তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণমাধ্যমকর্মীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

প্রধান আলোচক মোঃ আলমগীর গনি বলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে আসছে। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই সাংবাদিক সংগঠনের গাজীপুর জেলা কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম অতীতে সন্তোষজনক না হওয়ায় কয়েক দফা পরিবর্তন করা হয়েছে। এবার পেশাদার সাংবাদিকদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটি ভবিষ্যতে গাজীপুরের সাংবাদিকতা ও জনকল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

প্রধান অতিথির সাংবাদিকদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার মনোভাবের প্রশংসা করে তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী শাকিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট দেবাশীষ রায়।

আলোচনা সভা শেষে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা কমিটির সদস্যদের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

মিলন বৈদ্য শুভ
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইরে সার্বজনীন ঐতিহ্যের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে চার দিনব্যাপী শ্রীশ্রী গণেশ পূজা ও বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। চিকদাইর গণেশ চতুর্থী সংঘের উদ্যোগে গত ১৩ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

চার দিনব্যাপী আয়োজনে সহস্র কণ্ঠে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ, ভক্তিমূলক সংগীত, নৃত্য পরিবেশন, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ ও প্রতিমা নিরঞ্জনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

১৩ সেপ্টেম্বর শ্রীশ্রী গণপতির আগমন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। ঢাকবাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও পুষ্পবৃষ্টির মাধ্যমে গণপতিকে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় গজাননের সন্ধ্যা আরতি।

১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় শ্রীশ্রী গণেশ বন্দনা। এতে পরিবেশন করেন মৃত্যুঞ্জয় মিউজিক্যাল টিম, চিকদাইর। দ্বিতীয় পর্বে চিকদাইর লোকনাথ গীতা বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে সহস্র কণ্ঠে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় ও অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনায় ধর্মীয় ভক্তিমূলক সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

সন্ধ্যায় মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন, বাবার শুভ অধিবাস, পুরস্কার বিতরণ ও ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। এদিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ধর্মীয় ব্যান্ড ‘ভৈরব’-এর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

১৫ সেপ্টেম্বর শ্রীশ্রী সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করা হয়। পূজায় পৌরহিত্য করেন রাউজানের পণ্ডিত শ্রী কাঞ্চন চক্রবর্তী। এ সময় বাবার ভোগ নিবেদন ও ভোগ আরতি অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সুনামধন্য ঢাকি নয়ন ঢাকির পরিচালনায় তপোবন সংঘ গ্রুপের পরিবেশনায় শ্রীশ্রী গণপতির সন্ধ্যা আরতি ও ঢাকের তালে তালে ধুনুচি নৃত্য পরিবেশন করা হয়।

১৬ সেপ্টেম্বর শ্রীশ্রী গণপতির প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে চার দিনব্যাপী ধর্মীয় ও মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুদীপ দে, সম্পাদক দীপ্ত চৌধুরী, পূজা ফ্রন্টের সহ-সম্পাদক বিপুল তালুকদার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল কান্তি দে।

এ ছাড়া শ্রীশ্রী গণেশ চতুর্থী পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সত্যজিৎ দে, সাধারণ সম্পাদক শ্রী তুহিন বিশ্বাস, সহ-সভাপতি শ্রী নারায়ণ দে, শ্রী মানস দে, শ্রী পাপ্পু সেন ও শ্রী প্রিয়তোষ নন্দী, অর্থ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক শ্রী ইন্দ্রজিৎ মজুমদার (শান্ত) ও শ্রী সুদীপ বিশ্বাস, সহ-অর্থ সম্পাদক শ্রী প্রান্ত দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক অভি দাশ, অপু চৌধুরী, অভিজিৎ মজুমদার, শুভ চৌধুরী ও জনি দে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রচার সম্পাদক শ্রী শিশির দে, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শ্রী সৌরভ বিশ্বাস, সহ-পূজা বিষয়ক সম্পাদক শ্রী মিন্টু দে ও শ্রী সুমন দে, ভাণ্ডার রক্ষক শ্রী রূপক দে, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিষয়ক সম্পাদক শ্রী দীপ্ত দে, সহ-গীতা বিষয়ক সম্পাদক শ্রী রুদ্র দে, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রী দিগন্ত বিশ্বাস এবং সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিজয় দাশসহ শ্রীশ্রী গণেশ চতুর্থী সংঘ পরিচালনা পরিষদ ও উদযাপন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাউজানের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো ভক্ত নর-নারী সমবেত হন। পূজা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে পুরো পূজাঙ্গন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।