

ইফতিয়াজ সুমন, স্টাফ রিপোর্টার:
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা আবুল কাশেম। নির্বাচনী তৎপরতার অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি সিলেট সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষা, সমাজসেবা ও তরুণদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা। সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও আবুল কাশেমের আগ্রহ রয়েছে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে তিনি কাজ করে আসছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানান।
বর্তমানে সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও এলাকায় গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে দেখা করছেন আবুল কাশেম। এ সময় তিনি তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে তাঁর অগ্রাধিকার সম্পর্কে আবুল কাশেম বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, তরুণদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে চান। একই সঙ্গে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।
আবুল কাশেম বলেন, “মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ হলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ভেদাভেদ না করে সিলেট সদর উপজেলার প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য একটি উন্নত, আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব ও জনবান্ধব উপজেলা গড়ে তোলা।”
তিনি সিলেট সদর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত প্রার্থীতা ও নির্বাচনী সমীকরণ দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।




