October 29, 2026

সেবা

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ :

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে ২৩২ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড স্টেশন সেন্টমার্টিনে এ মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলীর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দ্বীপের ২৩২ জন মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী পান।

রোববার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল সংকট নিরসন, আইসিইউ সেবা চালু, হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে কনফারেন্স রুমে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় জেলার স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যা, চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত, মানসম্মত ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব আ. ন. ম. বজলুর রশিদ বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল সংকট নিরসন, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন এবং জেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। হাসপাতালের চিকিৎসক ও জনবল সংকট নিরসন, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি, আইসিইউ সেবা চালু এবং উন্নত চিকিৎসার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে। এ ছাড়া জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশিদ, সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মোঃ হাসিবুস সাত্তার, ডা. মোঃ ময়েজ উদ্দিন, পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা। সভায় জেলার স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত, মানসম্মত ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল নিশ্চিত করা এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
জেলার স্বাস্থ্য খাতের এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কার্যকর অগ্রগতি হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সভায় অংশগ্রহণকারীরা।

​মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

​চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে গঠিত ৮টি টিম পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬, বিকেলে ৮নং টিমের আওতায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শান্তি মোর, রামকৃষ্টপুর, ও এর আশপাশের এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।​মশক নিধন ও লার্ভা ধ্বংস: ৬নং ওয়ার্ডের রামকৃষ্টপুর এলাকায় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটানো হয় এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।​জনসচেতনতা বৃদ্ধি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ এবং মাইকিং করা হয়।​অভিযানে নেতৃত্ব দেন টিম লিডার তথা কর নির্ধারক মো. এনামুল হক, পৌর কর্মচারী সংসদের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল আজিজ খাঁন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো.নওরোজ হুদা। এছাড়াও অভিযানে স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভার-কর্মচারী অন্যান্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
​অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলেই কেবল ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। তাই নিজ নিজ বাড়ি এবং আশপাশের এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

​মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের উদ্যোগে এক বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় হুজরাপুর জোড়া মঠ,কাজি পাড়া,পাঠানপাড়া এলাকার বিভিন্ন অলিগলি, ড্রেন এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থানে এই কার্যক্রমের শুভসূচনা করা হয়।
​ক্লাবের তরুণ ও উদ্যমী সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলাকার সম্ভাব্য মশার প্রজননক্ষেত্র গুলোতে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।​এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমিরুল,পিন্টু, মামুন,আশিফ,শাওন,ধলু ওস্থানীয় অন্যান্যরা। উৎসব ক্লাবের নেতৃবৃন্দ জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষায় তাদের এই সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
​এ ধরনের মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য এলাকাবাসী হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মোঃ মিঠু মিয়া,
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছে ফ্রেশ বাজার লিমিটেড। একই সঙ্গে স্থানীয় মন্দিরের উন্নয়নকাজে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও মানবিক মূল্যবোধের এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির এলাকায় এ শাড়ি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ফ্রেশ বাজার লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীন মন্ডলের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মন্দিরের উন্নয়নকাজে আর্থিক অনুদান প্রদানের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেশ বাজার লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল্লাহ শাহীন মন্ডল। তিনি ফ্রেশ বাজার লিমিটেড ও এন্টার টিভির সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

আয়োজকদের এ উদ্যোগকে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলাই এ ধরনের উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

স্থানীয়দের মতে, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।

ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় ২০০টি, দাবি চেয়ারম্যান প্রার্থীর

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের লালপুর উপজেলার কদমচিলান ইউনিয়নে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রায় এক হাজার নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ কাজী মোঃ আব্দুল হালিম (মাস্টার)। তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে এসব নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত অর্থায়নে পরিচালিত এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছেন তিনি।

আলহাজ্ব মাওঃ কাজী মোঃ আব্দুল হালিম (মাস্টার) বলেন, “সুপেয় পানি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। এলাকার মানুষ যেন পানির সংকটে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই ব্যক্তিগত অর্থায়নে নলকূপ স্থাপনে সহযোগিতা করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় এলাকায় আরও নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তার পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছেন।

তাঁর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে কদমচিলান ইউনিয়নের প্রয়োজনীয় এলাকাগুলোতে নলকূপ স্থাপনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ,কক্সবাজার।

কক্সবাজারের টেকনাফে ২১ নম্বর চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নিখোঁজ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্যাম্পের এ/০৭ ব্লকের রাস্তা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির নাম ফয়সাল আহমদ (৩০)। তিনি উখিয়া উপজেলার পশ্চিম ফারির বিল এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম বাদশা মিয়া এবং মায়ের নাম আয়েশা বেগম।

১৬ এপিবিএনের ২১ নম্বর চাকমারকুল এপিবিএন ক্যাম্পের ইনসিডেন্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাম্পের এ/০৭ ব্লকের রাস্তায় এক অপরিচিত ব্যক্তির ঘোরাফেরার খবর পাওয়া যায়। পরে চাকমারকুল এপিবিএন ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে।

পরবর্তী সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ফয়সাল আহমদ মানসিকভাবে অসুস্থ এবং গত ৬ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা ক্যাম্পে উপস্থিত হন।

প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ২১ নম্বর চাকমারকুল এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) প্রয়োজনীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুরে হারিয়ে যাওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছে কেশবপুর থানা পুলিশ। পুলিশের আন্তরিকতা, তৎপরতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এর মালিক।

উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটির মালিক উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের দশকাউনিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৮)। মোবাইলটি হারিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে তা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে কেশবপুর থানা পুলিশ।

বুধবার কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান ও এএসআই ইসরাফিল হোসেন-এর তৎপরতায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে মোবাইলটি হস্তান্তর করা হয়।

হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন কেশবপুর থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি পুলিশের এমন আন্তরিক উদ্যোগ ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

স্থানীয়রা জানান, হারানো বা চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেশবপুর থানা পুলিশের এমন দায়িত্বশীল কার্যক্রম জনসেবামূলক পুলিশের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কেশবপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হারানো সম্পদ উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশ সর্বদা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

​

মোঃ বুলবুল ইসলাম , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করা অসহায় নারী নাছিমা আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে জনপ্রিয় গণমাধ্যম ‘খবর সংযোগ পত্রিকা’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান মিডিয়া ফ্রন্টলাইন।

চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে (৮ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার ‘খবর সংযোগ পত্রিকা’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান মিডিয়া ফ্রন্টলাইন পক্ষ থেকে তাদের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেন মিডিয়া ফ্রন্টলাইনের সুপারভাইজার (রংপুর জোন) মিনহাজুল ইসলাম, ফিল্ড রিসার্চ অফিসার (এফআরও) নুরে হাসান সিদ্দিক ও খবর সংযোগ পত্রিকার কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি বুলবুল ইসলাম।

​জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের তেলিয়ানী পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন নাছিমা আক্তার । পরিবারের উপার্জনক্ষম কোনো ব্যক্তি না থাকায় এবং চিকিৎসার ব্যয়বহুল খরচ মেলাতে না পেরে তার পরিবার চরম সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি ‘খবর সংযোগ পত্রিকা’র সম্পাদকের দৃষ্টিগোচর হলে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে পত্রিকাটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

​সহযোগিতা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অসুস্থ নাছিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা। তারা ‘খবর সংযোগ পত্রিকা’-র সম্পাদক, প্রকাশকসহ পুরো কতৃপক্ষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশবাসীর কাছে সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।

সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের ক্যানসার আক্রান্ত নাছিমার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ:

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলোর সহায়তায় ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর। কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩০০টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে মোট সাড়ে সাত মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার পাটগাতী, ডুমুরিয়া ও কুশলী ইউনিয়নসহ টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে একযোগে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতি জেলে পরিবার পাচ্ছেন ২৫ কেজি করে চাল।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়ার মধুমতি, বাঘিয়ার ঘাট ও দাড়িয়ার কুলসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশের প্রজনন নিশ্চিতে গত ৭ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাত থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত ২২ দিন মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত উৎসাহিত করতেই সরকারের পক্ষ থেকে এ বিশেষ খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
চাল বিতরণকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জেলেদের নিষেধাজ্ঞার নিয়ম মেনে চলার জোর আহ্বান জানান। মা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিক্রি বা মজুত করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দিদারুল আলম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম এবং পাটগাতী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুভাষ বিশ্বাস।