October 29, 2026

সেবা

মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং কুমিল্লা।।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ১ হাজার ৭৭৮ জন কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বুড়িচং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মিস রুজি আক্তার, কৃষি মন্ত্রনালয়ের উপসচিব মোঃ কামরুল ইসলাম খান, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক আজিজুর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাবলিহা আনবার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিনা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লুৎফুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. ওয়ালী উল্লাহ, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের হাসান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রাসেল সারওয়ার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বশির আহমেদ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম সাইফুল ইসলাম টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির বাবুল, মো. আবু নাছের মুন্সি, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মো. ছাদেকুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি সানা উল্লাহ মোল্লা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ কাউছার সবুজ, সদস্য সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন দোলন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভূইয়া এবং বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা সুবিধাভোগী কৃষক-কৃষানীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খাড়াতাইয়া ব্লকে মোট কৃষকের সংখ্যা ১ হাজার ৮১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৩৬৩ ও নারী ৪৪৯ জন। শ্রেণিভেদে ভূমিহীন কৃষক ২৫০, প্রান্তিক ৮৮১, ক্ষুদ্র ৬৫১ এবং মাঝারি কৃষক ৩০ জন।

কৃষকের ধরন অনুযায়ী ফসল আবাদকারী ১ হাজার ৭৮২ জন, মৎস্য খামারি একজন, প্রাণিসম্পদ খামারি ১৬ জন এবং প্রাণিসম্পদ পালনকারী ১৩ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৭৮ জন কৃষককে কৃষি প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে।

মোঃ রনি রজব, ভোলাহাট উপজেলা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে সীমান্ত অপরাধ, মাদক, চোরাচালান, অস্ত্র পাচার এবং নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১১টায় ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের খড়কপুর বিওপি এলাকায় ৫৯ বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৫৯ বিজিবির নায়েব সুবেদার আব্দুর রাজ্জাক। তিনি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মাদক ও সীমান্ত অপরাধের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করেন।
তিনি বলেন, “মাদককে না বলুন, জীবনকে ভালোবাসুন। মাদক পরিহার করুন, নিজে বাঁচুন, আগামী প্রজন্মকে বাঁচান। মাদককে না বলি, সুন্দর জীবন গড়ি। সুস্থ দেহ, সুন্দর মন—মাদকমুক্ত জীবন।”
তিনি আরও বলেন, মাদকের নেশা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তাই মাদক থেকে দূরে থেকে তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে উৎসাহিত করতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দলদলী ইউনিয়নের দলনেতা মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা মহিলা প্লাটুন কমান্ডার মোসাঃ সালমা খাতুন, আনসার সদস্য তাজামুল হক ও মোঃ আয়নাল হকসহ সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
সভায় সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, অস্ত্র ও মানবপাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।

ইফতিয়াজ সুমন, সুনামগঞ্জ:

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আমেরিকা প্রবাসী পলাশ খানে’র পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ-১ আসনের ৪টি উপজেলায়( ধর্মপাশা,মধ্যনগর, জামালগঞ্জ,তাহিরপুর) ১০০টি ঘর উপহার দেন পলাশ খান। ইতোমধ্যে কয়েকটি পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণের মাধ্যমে এই মানবিক কার্যক্রমের সূচনা হয়েছে। ধাপে ধাপে আরও গৃহহীন ও অসহায় পরিবারকে এই উদ্যোগের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা,মধ্যনগর, জামালগঞ্জ,তাহিরপুর বিভিন্ন উপজেলার গৃহহীন পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এই উদ্যোগ। একটি নতুন ঘর শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই নয়—একটি পরিবারের জন্য এটি নিরাপত্তা, স্বস্তি এবং নিজের একটি ঠিকানা। নতুন ঘর পেয়ে পরিবারগুলো নিজেদের ঘরে নিরাপদে বসবাস করার সুযোগ পাবে, পূরণ হবে দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন। প্রবাসে থেকেও দেশের অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা গেছে প্রশংসা।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঘরগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় অসহায় পরিবারগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হবে। মাথার ওপর একটি স্থায়ী ও নিরাপদ ছাদ পেয়ে আনন্দ-শ্রুতে ভেসেছেন সুবিধাভোগী পরিবারগুলো। তাদের চোখে-মুখে এখন শুধুই স্বস্তি আর নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পলাশ খানের এই বিশাল উদারতা ও মানবসেবামূলক কাজ পুরো অঞ্চলের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে নিঃস্ব মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করছে। মানুষ তো অনেকেই হয়, কিন্তু মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর মতো বিশাল হৃদয় ক’জনেরই বা থাকে? প্রবাসের ব্যস্ত জীবন আর হাজারো ব্যস্ততার ভিড়েও নিজের দেশের অসহায় মানুষের কথা ভুলেননি আমেরিকা প্রবাসী পলাশ খান। তাঁর ব্যক্তিগত বিশেষ মানবিক উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে ১০০টি গৃহহীন ও অসহায় পরিবারের জন্য ১০০টি নতুন ঘর। ​এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, পলাশ খান প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি এবং দেশের মানুষের প্রতি যে ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন, তা সত্যি প্রশংসনীয়। তাঁর এই মহতী উদ্যোগের ফলে ১০০টি পরিবারের জীবনের গল্প চিরতরে বদলে গেল।

প্রবাসী পলাশ খান বলেন, আমাদের সমাজের পিছিয়ে পড়া ও গৃহহীন মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানোই আমার মূল লক্ষ্য। আজ ১০০টি অসহায় পরিবারের মাথার ওপর স্থায়ী একটি ছাদ উপহার দিতে পেরে আমি গভীরভাবে আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। এটি কেবল একটি ঘর নয়, এটি তাঁদের নিরাপত্তা, সম্মান এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার একটি নতুন সূচনা। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের মানবিক কাজে আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, সে জন্য আমি সবার আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করছি।”

মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম

মাদকমুক্ত সমাজ, আমাদের অঙ্গীকার এই প্রত্যয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের লক্ষ্যে এক মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশ, বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো: মাসুদ আলম, বিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি পুলিশের উপদেষ্টা জনাব জহুরুল আলম জহুর।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করালগ্রাস থেকে রক্ষা করতে পরিবার থেকেই সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সমাবেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার, তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদকবিরোধী আইন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার জনাব মো. মাসুদ আলম, বিপিএম বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর করতে সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে সন্তানদের চলাফেরা, সঙ্গ ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অভিভাবকদের আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি পুলিশের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

সাজেদুর রহমান রংপুর প্রতিনিধি

মুসল্লিদের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশা অবশেষে পূরণ হতে চলেছে। রংপুরের মিঠাপুকুর বাজার রেজিস্ট্রি অফিস জামে মসজিদের সেফটি ট্যাংকি ও সোকয়েল নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ ২৬ শে সেপ্টেম্বর শনিবার উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করেন রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী এমপি।

নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:মোঃ পারভেজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), মিঠাপুকুর।
রংপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক,গোলাম রব্বানী, সভাপতি, উপজেলা বিএনপি।এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামায়ে কেরাম, মসজিদের কমিটির সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের এই জরুরি সমস্যাটির সমাধান ও মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা হওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী এবং মুসল্লিদের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি বিরাজ করছে। উপস্থিত সকলে আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে মসজিদের পরিবেশ আরও সুন্দর হবে এবং মুসল্লিদের সুযোগ-সুবিধা অনেক বৃদ্ধি পাবে।

বাজারের কেন্দ্রীয় এই মসজিদে প্রতিদিন শত শত মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত ও উন্নত সেফটি ট্যাংকি না থাকায় আমাদের দীর্ঘদিন ধরে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। আজকের এই উদ্যোগের ফলে আমাদের সেই কষ্টের অবসান হলো।

পরিশেষে মহান আল্লাহ তায়ালা এই উত্তম কাজকে কবুল করুন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

টেকনাফ প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ:

কক্সবাজারের টেকনাফে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সামাজিক সম্প্রীতি ও পরিচ্ছন্নতার বার্তা নিয়ে যুবদের উদ্যোগে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) হ্নীলার আলী আকবরপাড়ায় মেঘনা ইয়ুথ পিস ক্যাফের উদ্যোগে নাইক্যংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

‘Youth-Led Community Clean-Up for Peace and Social Cohesion’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় র‍্যালি, আলোচনা সভা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডাস্টবিন স্থাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘Youth-Led Peacebuilding and Social Cohesion Initiatives in Bangladesh & Myanmar’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে SHED ও ActionAid Bangladesh-এর উদ্যোগে এবং European Union-এর সহ-অর্থায়নে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।

বিকেল ২টায় নাইক্যংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি মৌলভীবাজার স্টেশন ঘুরে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে বিদ্যালয়ের সাইক্লোন সেন্টারের নিচে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় মেঘনা পিস ক্যাফের পিস চ্যাম্পিয়ন সাগরিকা আক্তার ও মাজিবুল হক বাপ্পি উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাইক্যংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা জালাল আহমদ।

এ সময় বক্তব্য দেন সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ, পিস চ্যাম্পিয়ন মোহাম্মদ ইরফাত, পিস বিল্ডার কাকান দাস, পেনু রাখাইন ও আব্দুর রহমান, SHAY-এর প্রতিনিধি বোরহান উদ্দিন এবং পিস বিল্ডার সোহেল রানা।

আলোচনা শেষে ইয়ুথ পিস বিল্ডাররা বিদ্যালয়ের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে একটি ডাস্টবিন স্থাপন করে এর চাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরে কক্সবাজার থেকে আগত শিল্পীদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বিভিন্ন গান নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, তরুণদের নেতৃত্বে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত স্থানে রোগ, প্রতিরোধে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে সারা দেশের ন্যায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ক্রাশ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হোসনেয়ারা বেগম ,উপজেলা আইটি অফিসার হেমেন্দ্র নাথ,সহ কালিগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্যরা ছাড়াও স্থানীয় সুধী ও গ্রাম্য পুলিশের সদস্য, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ময়লা, আবর্জনা ও মশার বংশ বিস্তারের সম্ভাব্য স্থানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে আরও বলেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া ছাড়াও নিজ নিজ বাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

ম. ম. রবি ডাকুয়া
বাগেরহাট প্রতিনিধি:

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিটটি সচল করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। এর ফলে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটই বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কেন্দ্রটির প্রকৌশলী ও কারিগরি বিভাগের কর্মকর্তারা ত্রুটি শনাক্ত করে মেরামত ও প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ প্রায় আট দিন কাজ শেষে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়।

রোববার দুপুরে উৎপাদন শুরুর পর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে ৩৬৮ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে চাহিদা ও ইউনিটের সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করে দ্বিতীয় ইউনিট পুনরায় চালু করা হয়েছে। এখন থেকে জাতীয় গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। দ্বিতীয় ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনে ফেরায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ থাকায় গত কয়েকদিন কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা কমে গিয়েছিল। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। এখন দ্বিতীয় ইউনিট চালু হওয়ায় সেই ঘাটতি কিছুটা পূরণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি তদারকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটির ঝুঁকি কমানো সম্ভব বলে মত তাদের।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জাতীয় গ্রিডে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন সংশ্লিষ্টদের প্রধান লক্ষ্য।

দ্বিতীয় ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনে ফেরায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ সুগম হয়েছে। জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।

ম. ম. রবি ডাকুয়া
বাগেরহাট প্রতিনিধি
ডেইলি জনতার ডায়েরি

মোঃ আলী শেখ, স্টাফ রিপোর্টার :

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ও প্রবাসী জহিরুল ইসলামের অর্থায়নে পাঁচ শতাধিক অসহায় মানুষ পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা।
শনিবার ( ১৯ সেপ্টেম্বার) সকাল ৯ টায় বদরপাশা ইউনিয়ন পাঠানকান্দি গ্রামের প্রবাসী জহিরুল ইসলামের বাড়িতে এ চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন করেন জামায়াতের রাজৈর উপজেলা আমীর সহকারী অধ্যাপক আলী আহমেদ আকন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের সভাপতি মতিউর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা আমির আলী আহমেদ আকন বলেছেন, আমাদের দেশের প্রতি বাড়িতে যেমন বিদ্যুৎ পৌছে গিয়েছে ঠিক তেমন চিকিৎসা সেবা প্রতি বাড়িতে পৌঁছে দিতে হবে সে লক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি কাজ করে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে মানুষের দোরগোড়ায় আমরা চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিবো বিনামূল্যে।
বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার নজরুল ইসলাম, রাজৈর উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি ফাইজুর রহমান মামুন ও মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এস এম ফেরদৌস হোসাইন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও বারডেম থেকে আগত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ বদরপাশা ও ইশিবপুর এলাকার মানুষদের সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করেন । এলাকার প্রায় পাঁচ শতাধিক রুগী এই ক্যাম্পে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নেন । জামায়াতের উদ্যোগে এই মহতি সেবায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ।